1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

পর্যটন মৌসুমে ভয়াবহ বন্যা, চ্যালেঞ্জের মুখে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৯ বার পঠিত

শ্রীলঙ্কার পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত তিন বেডরুম হোমস্টের মালিক হেরাথ গেদারা রোহান অনিল কুমারার জন্য সবচেয়ে ব্যস্ত মৌসুম নভেম্বর থেকে জানুয়ারি। কারণ চা-বাগান, ঐতিহাসিক স্থান আর শান্ত গ্রামগুলোর সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ সময় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড় থাকে সেখানে।

কিন্তু গত সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়া দ্বীপজুড়ে তাণ্ডব চালানোর পর পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। প্রায় ৫০০ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই দুর্যোগে কুমারা এখন একটি ত্রাণকেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন—কবে আবার নিজের ব্যবসা গুছিয়ে নিতে পারবেন, তা নিশ্চিত নন।

তার ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি আগে প্রতি রাতে ৩০ ডলারের বেশি আয় এনে দিত, যা দিয়ে পরিবারটি ভালোভাবেই চলতো। কিন্তু এখন তাকে ডিসেম্বর ও জানুয়ারির সব বুকিং বাতিল করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, এখনো ফোন করে অনেকে জানতে চাইছে কক্ষ খালি কি না, কিন্তু আমরা কাউকেই নিতে পারছি না। কবে বাড়ি মেরামত করা যাবে, কবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব—কিছুই জানি না।

এই পরিস্থিতি তুলে ধরছে শ্রীলঙ্কার পর্যটন খাতের ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতা। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এই খাত মূলত ছোট অপারেটরদের ওপরই নির্ভরশীল, যা জিডিপির প্রায় ৪ শতাংশ।

২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়ার ব্যাপক ক্ষতি আবারও নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ঘূর্ণিঝড়টি দেশের ২২ মিলিয়ন মানুষের প্রায় ১০ শতাংশ-এর ওপর প্রভাব ফেলেছে, হাজারো ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, মারা গেছেন অন্তত ৪৮৬ জন, নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক, বিদ্যুৎলাইন, টেলিকম সেবা এবং কৃষি খাত।

এ বছর মধ্য-নভেম্বর পর্যন্ত পর্যটক আগমন দুই মিলিয়ন ছাড়িয়েছে, আর সরকার আশা করছে বছরের শেষে এই সংখ্যা ২.৬ মিলিয়ন হবে—যা কোভিড-পরবর্তী সময়ে সর্বোচ্চ।

সরকার আটকে পড়া পর্যটকদের হেলিকপ্টারে সরিয়ে নিয়েছে, ভিসার অতিরিক্ত ফি মওকুফ করেছে এবং ফ্লাইট পরিবর্তন বিনা খরচে করার সুযোগ দিয়েছে। পর্যটনখাতও ভিসা-মুক্ত দেশ বাড়ানোর দাবি তুলেছে এবং পর্যটকদের আশ্বস্ত করতে নতুন সামাজিকমাধ্যম প্রচারণা চালাচ্ছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর