1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

অগ্রণী ব্যাংকের ২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক দুই এমডির নামে মামলা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৩ বার পঠিত

অগ্রণী ব্যাংকের জন্য ফ্লোর স্পেস কেনার নামে প্রায় ২২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) নয়জনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১০ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রহুল হক বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। এতে দণ্ডবিধি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও সৈয়দ আব্দুল হামিদ, সাবেক এমডি মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম, সাবেক মহাব্যবস্থাপক আবুল বাশার সেরনিয়াবাত ও মো. দেলোয়ার হোসেন, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপনা পরিচালক সাধন চন্দ্র মণ্ডল, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আওলাদ হোসেন এবং আলমপনা বিল্ডার্স লিমিটেডের এমডি মো. আসাদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের বাবুবাজার শাখা এবং ঢাকা দক্ষিণাঞ্চল কার্যালয়ের জন্য অফিস স্পেস কেনার অনুমোদন ছাড়াই অগ্রিম ১৪ কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশ ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকের নীতিমালা উপেক্ষা করে এ লেনদেন সম্পন্ন করেন। তাদের অনিয়মের কারণে সরকারি তহবিল থেকে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।

অপর মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন না করেই আলমপনা বিল্ডার্সের ‘আলমপনা রব-নূর টাওয়ার’ নামের ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফ্লোর স্পেস কেনার নামে সাত কোটি ২০ লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। এমনকি ভবনের জমির মালিকানাসংক্রান্ত দলিল সম্পাদনের আগেই আসামি মো. আসাদ ব্যাংকের কাছে বিক্রয় প্রস্তাব দেন।

দুদকের অভিযোগ আরও বলা হয়, ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি এক হাজার বর্গফুটের একটি ফ্লোর স্পেস কেনার নোট উপস্থাপনের পর আবুল বাশার সেরনিয়াবাত ও সাধন চন্দ্র মণ্ডলের সুপারিশে ব্যাংকটির সাবেক দুই এমডি ক্রয় অনুমোদন দেন এবং মো. আসাদের অনুকূলে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা ছাড় করেন। এভাবে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে একাধিক ধাপে মোট ২২ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর