1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

বিশ্ব হার্ট দিবস : সুস্থ হৃদয়ই প্রকৃত সম্পদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নাদিয়া সুলতানা মুন |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৩ বার পঠিত

প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব হার্ট দিবস। দিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো— হৃদরোগের ক্রমবর্ধমান ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং মানুষকে একটি সুস্থ হৃদয়ের অধিকারী হতে উদ্বুদ্ধ করা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদরোগ বর্তমানে পৃথিবীতে মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ।

দিবসের ইতিহাস ও থিম:

১৯৯৯ সালে বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনি বায়েস দে লুনা প্রথম এই দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। এরপর ২০০০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহযোগিতায় এটি প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়। প্রথমে এটি সেপ্টেম্বরের শেষ রোববার পালিত হলেও ২০১১ সাল থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর দিনটিকে নির্দিষ্ট করা হয়। বর্তমানে ৯০টিরও বেশি দেশ বিভিন্ন প্রচারাভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে।

বিশ্ব হার্ট ফেডারেশন প্রতি বছর একটি বিশেষ থিম ঘোষণা করে। ২০২৫ সালের থিম হলো— ‘Don’t Miss a Beat’। এই থিমের মাধ্যমে হৃদরোগের লক্ষণ উপেক্ষা না করা, সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া এবং প্রতিরোধমূলক জীবনযাত্রা মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পালিত থিমগুলোর মধ্যে ছিল ‘Use Heart for Action’ এবং ‘Use Heart, Know Heart’।

এই দিবসটির মূল গুরুত্ব হলো— হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মানুষকে স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় অনুপ্রাণিত করা। এর মধ্যে রয়েছে: নিয়মিত ব্যায়াম করা, সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা, ধূমপান ও মদ্যপান সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করা, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে স্বাস্থ্য উদ্যোগ জোরদার করা।

কীভাবে পালিত হয় দিনটি?

বিশ্ব হার্ট ডে উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন আয়োজনে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—স্কুল, কলেজ ও অফিসে সচেতনতামূলক আলোচনা ও সেমিনার আয়োজন, বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে হার্ট চেক-আপ ক্যাম্প স্থাপন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সচেতনতামূলক পোস্ট, ওয়েবিনার, পোস্টার প্রতিযোগিতা, ওয়াকাথন, র‍্যালি এবং বিশেষজ্ঞের বক্তব্য ও প্রচারের আয়োজন।

‘সুস্থ হৃদয়ই প্রকৃত সম্পদ’:

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘সুস্থ হৃদয়ই প্রকৃত সম্পদ’ এবং ‘প্রতিটি হৃদস্পন্দন মূল্যবান’। দ্রুতগতির জীবনযাত্রার কারণে আজকের প্রজন্ম মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও শারীরিক অনিয়মের শিকার। তাই হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখতে হলে দৈনন্দিন জীবনযাপনে ছোট ছোট পরিবর্তন আনা জরুরি।

বিশ্ব হার্ট ডে শুধু একটি দিন নয়, বরং এটি আমাদের হৃদয়ের যত্ন নেওয়ার জন্য এক প্রতিদিনের অঙ্গীকার। বিশেষজ্ঞরা এই দিনটির স্লোগানকে সামনে রেখে বলছেন, ‘ভালোবাসুন আপনার হৃদয়কে— এটাই আপনার জীবন। আজ যত্ন নিন, কাল বাঁচুন।’

সব মিলিয়ে, সুস্থ হৃদয় মানে দীর্ঘায়ু, সক্রিয়তা এবং একটি সুখী জীবন। তাই এই দিনে শুধু সচেতনতা নয়, বরং প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিবর্তন আনাই আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর