1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি

পথহারা ব্যক্তিকে পথের সন্ধান দেওয়ার সওয়াব

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ৮১ বার পঠিত

ইসলাম ডেস্ক | পথ হরিয়ে ফেলা ব্যক্তিকে পথের সন্ধান দেওয়া মানুষের জন্য উপকারী ও মহৎ কাজ। নবিজি (সা.) এ কাজটিকে সদকা বলেছেন। এ ছাড়াও মানুষের উপকারে আসে এ রকম অনেক কাজকেই সদকা গণ্য করেছেন। আবু জর গিফারি (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমার ভাইয়ের সাথে হাসি মুখে দেখা করা সদকf, নেক কাজের নির্দেশ ও খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করা সদকা, পথহারা প্রান্তরে কোনো মানুষকে পথ বলে দেওয়া, কোনো অন্ধ বা দুর্বল দৃষ্টিশক্তির মানুষকে সাহায্য করা সদকা, পথের কাঁটা বা হাড় সরিয়ে দেয়া, নিজের বালতি থেকে অন্য কোন ভাইয়ের বালতিতে পানি দিয়ে ভরে দেয়াও সদকা। (সুনানে তিরমিজি)

আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, শরীরের প্রতিটি জোড়ার ওপর প্রতিদিন একটি করে সাদকা রয়েছে। কোনো ব্যক্তিকে তার সওয়ারির ওপর উঠতে সাহায্য করা, অথবা তার মাল-সরঞ্জাম তুলে দেওয়া সাদকা। উত্তম কথা বলা ও নামাজের উদ্দেশ্যে প্রতিটি পদক্ষেপ সদকা। পথিককে রাস্তা বলে দেওয়াও সদকা। (সহিহ বুখারি)

এ কাজগুলো করতে অনেক বেশি পরিশ্রম হয় না। অর্থকড়িও ব্যয় হয় না। শুধু সদিচ্ছা থাকলেই এভাবে মানুষের উপকার করে সদকার সওয়াব অর্জন করা যায়। যারা ভাবেন অর্থনৈতিক সামর্থ্যের অভাবে বেশি সদকা করতে পারছেন না, সম্পদশালীদের চেয়ে সওয়াবে পিছিয়ে থাকছেন, তারা এভাবে সদকার সওয়াব অর্জন করতে পারেন। আবু জর (রা.) বলেন, আমি একদিন আল্লাহর রাসুলকে (সা.) বললাম, সম্পদশালীরা তো সওয়াবের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা নামাজ পড়ে, রোজা রাখে এবং হজ পালন করে। আল্লাহর রাসুল (সা.) বললেন, তোমরাও তো নামাজ পড়ো, রোজা রাখো এবং হজ পালন করো। আমি বললাম, তারা দান-সদকা করে, কিন্তু আমরা দান করতে পারি না।

নবিজি (সা.) বললেন, তোমার জন্যও সদকার ব্যবস্থা আছে। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো সদকা, পথহারা ব্যক্তিকে পথ দেখানো সদকা, দুর্বল ব্যক্তিকে তোমার শক্তি দিয়ে সাহায্য করা সদকা এবং বোবা বা বাকশক্তিহীন ব্যক্তির কথা অন্যদের কাছে স্পষ্ট করে বোঝানোও সদকা। (মুসনাদে আহমদ)

পথহারাকে পথ দেখানোসহ যে কোনো ভাবে যে ব্যক্তি অন্যকে সাহায্য করে, আল্লাহ তাআলা তাকে সাহায্য করেন। অন্যের বিপদে সাহায্য করলে আল্লাহ তাআলা বিপদ দূর করে দেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো ঈমানদারের দুনিয়া থেকে কোন বিপদ দূর করে দেবে, আল্লাহ তা’আলা বিচার দিবসে তার কোনো বিপদ দূর করে দেবেন। যে ব্যক্তি কোন দুঃস্থ লোকের অভাব দূর করবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দুরবস্থা দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবে আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবেন। বান্দা যতক্ষণ তার ভাই এর সহযোগিতায় আত্মনিয়োগ করে আল্লাহ ততক্ষণ তার সহযোগিতা করতে থাকেন। (সহিহ মুসলিম)

আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত আরেকটি হাদিসে নবিজি (সা.) বিপদে-আপদে কারো পাশে দাঁড়ানো, কোনো অভাবগ্রস্তের প্রয়োজন পূরণ করাকে মসজিদে নববিতে এক মাস ইতিকাফের করার চেয়েও উত্তম বলেছেন। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় সেই ব্যক্তি যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়তম আমল হলো, একজন মুসলমানের হৃদয় আনন্দে পরিপূর্ণ করা অথবা তার কোনো কষ্ট দূর করে দেওয়া। তার পক্ষ থেকে তার ঋণ আদায় করে দেওয়া অথবা তার ক্ষুধা দূর করে দেওয়া। এই মসজিদে এক মাস ইতিকাফ করার চাইতে কোনো মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণ করা আমার কাছে বেশি পছন্দের। (তাবরানি)

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর