1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

ভারত–বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি স্বাভাবিক হতে লাগবে অন্তত ছয় মাস

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৮৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাদেশে ৭ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি আউটলেট রয়েছে। ম্যারিকো বাংলাদেশে মূলত প্যারাসুট এবং সাফোলা ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্যের জন্য সুপরিচিত। কোম্পানিটির আন্তর্জাতিক রাজস্বের ৪৪ শতাংশই আসে বাংলাদেশ থেকে। অবশ্য গত জুলাই–সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে তাদের কার্যক্রমে। এতে রাজস্বও কিছুটা কমেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যারিকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৌগত গুপ্ত জানান, ২০২৪ সালের মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরে ম্যারিকোর আন্তর্জাতিক রাজস্বে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪৪ শতাংশ। সেটি কমে বর্তমানে ৪০ শতাংশেরও নিচে নেমে এসেছে।

ম্যারিকোর মোট রাজস্বের প্রায় ২৭ শতাংশ আসে আন্তর্জাতিক ব্যবসা থেকে। এই রাজস্বের বড় অংশ আসে বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে। যেখানে ম্যারিকোর মোট বাজারমূল্য ৯১২ কোটি ডলার।

সৌগত গুপ্ত বলেন, তাঁরা যুক্তরাষ্ট্র ও পূর্ব আফ্রিকায় ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ইন্দোনেশিয়ার বাজারে প্রবেশের পরিকল্পনা করছেন। অন্যান্য অঞ্চলে ব্যবসা বাড়তে থাকলে আন্তর্জাতিক রাজস্বে বাংলাদেশের অবদানের হার আরও কমতে পারে।

এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি অনেকটা দায়ী বলে মনে করছেন ম্যারিকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি বাড়ার প্রভাব পড়ছে ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা খাতে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এই পরিস্থিতির বেশি অবনতি হয়েছে। এই অবস্থার উন্নতি হতে অন্তত ছয় মাস লাগবে।

ভারতে খাদ্যপণ্যের বার্ষিক মূল্যস্ফীতি, যা মোট ভোগের প্রায় অর্ধেকজুড়ে রয়েছে, গত অক্টোবরে ১৫ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশে পৌঁছায়। এ ছাড়া খুচরা বাজারে মূল্যস্ফীতি একই মাসে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়। মূলত সবজির দামে উল্লম্ফনের কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ফলে আগামী মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

ম্যারিকোর সৌগত গুপ্তা বলেন, শহরের ভোক্তার চাহিদা পুনরুদ্ধার হতে কয়েকটি প্রান্তিক লাগবে। তবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি যথেষ্ট সহনীয় পর্যায়ে এলে, শহুরে ভোক্তার চাহিদা পুনরুদ্ধার হবে। যখনই খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়, তখন এর প্রভাব নিত্যপণ্যের ওপরও পড়ে…ভোক্তারা তখন সাশ্রয়ী পণ্য কেনেন বা ব্যবহার কমিয়ে দেন।

ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণি, যা দেশটির ১৪০ কোটি জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যয় কমিয়ে দিচ্ছে। এটি দেশের বৃহৎ ভোগ্যপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্বকে প্রভাবিত করছে।

সৌগত গুপ্তা বলেন, এই মূল্যস্ফীতির প্রভাব মধ্য ও নিম্ন আয়ের শ্রেণির মধ্যে প্রধানত ভোগের ওপর পড়ছে, কিন্তু উচ্চ আয়ের মানুষদের ওপর এর তেমন প্রভাব নেই।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতে বিলাসদ্রব্যে মানুষের ব্যয় বাড়ছে। জার্মান বিলাসবহুল গাড়ি প্রস্তুতকারক মার্সিডিজ–বেঞ্জের গাড়ি বিক্রি এ বছরের প্রথম নয় মাসে ভারতে ১৩ শতাংশ বেড়েছে, যা দেশটিতে এই ব্র্যান্ডের এখন পর্যন্ত সেরা প্রবৃদ্ধি। পাশাপাশি ভারতের শীর্ষ সাতটি শহরে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি একই সময়ে প্রায় ৩৮ শতাংশ বেড়েছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর