1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা

সাবজেক্ট ম্যাপিংয়েই এইচএসসি’র ফল : প্রক্রিয়া ঠিক করবে বিশেষ কমিটি

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ১২৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করেছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় অনিবার্য কারণে বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিলের আদেশ জারি করেছে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মোর্চা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। এখন কীভাবে ফলাফল তৈরি ও প্রকাশ করা হবে তা নিয়ে কাজ শুরু করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

তবে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশার। তাছাড়া কীভাবে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে ফলাফল তৈরি করা হবে তা ঠিক করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাতে বিজনেস ডাইজেস্টকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অধ্যাপক আবুল বাশার বলেন, করোনাভাইরাস পরবর্তী সময়ে আমরা সাবজেক্ট ম্যাপিং করে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করেছিলাম। সেই কমিটিটা এখনও রয়েছে। এ কমিটি এখন বিলুপ্ত করে নতুন আরেকটা বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করে সুপারিশপত্র জমা দেবেন। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে ফল প্রস্তুত এবং প্রকাশ করা হবে।

কবে নাগাদ কমিটি গঠন ও কাজ শুরু হবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আজ তো কর্মদিবস শেষ। আগামীকাল বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু হতে পারে। কমিটি হলে তারা দায়িত্ব বুঝে নিয়ে শিগগির কাজ শুরু করবেন।’

ফলাফল প্রস্তুতে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের কথা বলা হলেও বিষয়টি এখনো খোলাসা করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডগুলো। বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যে পরীক্ষাগুলো শিক্ষার্থীরা দিয়েছে, সেগুলো ধরে বাকি পরীক্ষাগুলোর ম্যাপিং হতে পারে এসএসসি পরীক্ষার ভিত্তিতে। আবার কলেজে শিক্ষার্থীদের দেওয়া সর্বশেষ টেস্ট পরীক্ষার ফল অনুসরণ নিয়েও চিন্তাভাবনা চলছে৷ এটি এখনো চূড়ান্ত নয়।

জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকার মঙ্গলবার রাতে বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, কীভাবে ফল তৈরি ও প্রকাশ করা হবে, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আপাতত পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সব বোর্ড এটা নিয়ে আলোচনা করবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে নির্দেশনা দেবে। তারপর কীভাবে ফল তৈরি ও প্রকাশ করা হবে, তা চূড়ান্ত হবে। শিক্ষার্থীরা একটু ধৈর্য ধরুক। আমরা সব জানিয়ে দেবো।

এর আগে দুপুরে শিক্ষা উপদেষ্টার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বৈঠকে বসেন সব বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। সেখানে অর্ধেক প্রশ্নপত্রে স্থগিত পরীক্ষাগুলোর নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পরপরই সচিবালয়ের আশপাশে আগেই জড়ো হওয়া বিক্ষুব্ধ এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারা একপর্যায়ে স্থগিত পরীক্ষা বাতিল করে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফল প্রকাশের দাবিতে ১ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে একপর্যায়ে শিক্ষা সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা তাৎক্ষণিক বৈঠক করে স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষাগুলো বাতিলের ঘোষণা দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে ফিরে যান।

এদিকে বিকেলে পরীক্ষা বাতিল করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারের সই করা আদেশ জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণবশত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৪-এর স্থগিত পরীক্ষাসমূহ বাতিল করা হলো। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। প্রথম দফায় প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর আর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।

সূচি অনুযায়ী এখনও ১৩ দিনের মোট ৬১টি বিষয়ের পরীক্ষা গ্রহণ বাকি ছিল। বিভিন্ন বিভাগের (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) বিভিন্ন বিষয় থাকায় এতগুলো পরীক্ষা আটকে গেছে। যদিও প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ১৩টি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এর মধ্যে বাধ্যতামূলক বাংলা ও ইংরেজির চারটি বিষয় (প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র) এবং আইসিটি। ৮টি বিষয় ঐচ্ছিক (অপশনাল)।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর