1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

সরকারি জমিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে কাজ চলছে : উপদেষ্টা

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৮৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | সরকারি অনেক অব্যবহৃত জমি আছে সেগুলো ব্যবহার করলে নবায়নযোগ্য শক্তির চাহিদা মেটানো সম্ভব। সড়ক, রেলসহ সরকারের অনেক জমি রয়েছে এগুলো কীভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন প্রসারে ব্যবহার করা যায় সে বিষয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে ইকনোমিক রিপোটার্স ফোরামে (ইআরএফ) আয়োজিত নবায়নযোগ্যে দ্রুত রূপান্তর: দেশীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আমাদের টার্গেট ১০ শতাংশ, কিন্তু অর্জন ২ শতাংশের মতো। এমন হওয়ার কারণ আগের সরকার এটা নিয়ে কথা বলেছে নিন্তু নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার হোক সেটা চায়নি। আন্তরিকভাবে চাইলে হতো।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে অর্থায়ন সমস্যা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ব্যাংকাররা ঋণের ডিসিশন নেয় ডিনার বা লাঞ্চ করতে যেয়ে। এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির যারা উদ্যোক্তা তারাতো এত সফিস্টিকেটেড না। তাদের সঙ্গেতো লাঞ্চ-ডিনারে যাওয়া যায় না। আরেকটা বিষয় হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারের জন্য যে টেকনিক্যাল সাপোর্ট দরকার সেটি আমাদের নেই।

উপদেষ্টা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে একটা সোলার সিস্টেম লাগানো হয়েছিল। এটাতে প্রায় কোটি টাকার বেশি খরচ হয়। কিন্তু এটা কোনো কাজ করেনি, শুধু একটা বাতি আর ফ্যান চলতো। এজন্য আমাদের প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারের জন্য আমদানি করা জিনিসপত্রের ওপর কর কমানোর সুপারিশ জানানো হয়।

এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ক্যাবল বাহির থেকে আনতে হবে কেন? দেশেইতো ক্যাবল ফ্যাক্টরি আছে। সোলার স্ট্রাকচার দেশেই তৈরি করা যায়। সব কিছুতেই কেন আমাদের রেয়াতি শুল্ক চাইতে হবে। এখন সব কিছুতেই যদি রেয়াতি শুল্ক হয় তাহলে সরকারের কর্মচারীদের বেতন কীভাবে হবে!

সরকারের অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম কীভাবে হবে। এজন্য আমাদের প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। তবে এই খাতে ৫ শতাংশের একটা এডভানসড ভ্যাট আছে সেটি আমরা তুলে দিতে বলেছি।

আলোচনা সভায় ইকনোমিক রিপোটার্স ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ রেফায়েত উল্লাহ মৃধা, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম, সিপিডির রিচার্স ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, সেন্টার ফর এনভারমেন্ট অ্যান্ড পার্টিসিপেটরি রিচার্সের (সিইপিআর) চেয়ারপারসন গৌরঙ্গ নন্দীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর