1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

ফার্নিচার খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধিতে ভ্যাট-ট্যাক্স কমানোর প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত

দেশের সম্ভাবনাময় আসবাবপত্র (ফার্নিচার) শিল্পকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি।

সমিতির পক্ষ থেকে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো, ভ্যাট ব্যবস্থার সহজীকরণ এবং করপোরেট ট্যাক্স যৌক্তিক করার দাবি জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সমিতির নেতারা।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের ফার্নিচার শিল্প প্রধানত আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উচ্চ আমদানিশুল্ক ও এইচএস কোড সংক্রান্ত জটিলতা, যা দেশীয় শিল্পকে অসম প্রতিযোগিতার মুখে ফেলছে।

সংগঠনটি আমদানি করা কাঁচামালের এইচএস কোড সুনির্দিষ্ট করা এবং মূল্যায়ন সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার দাবি জানিয়েছে। তারা বলছে, এ দাবি বাস্তবায়ন হলে উদ্যোক্তারা দীর্ঘসূত্রিতা থেকে মুক্তি পাবেন।

আসবাবপত্র উৎপাদনের সময় সৃষ্ট বর্জ্য নিজস্ব কারখানায় পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) করলে ভ্যাট সমন্বয় পদ্ধতি সহজ করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। বর্তমানে উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট বিদ্যমান থাকলেও তা কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে গ্রস প্রফিটের ওপর করের সীমা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সমিতি। তাদের মতে, এতে শিল্পে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে।

সমিতির দাবি, শুল্ক ও কর কমানো হলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাবে। ফলে সাধারণ ক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে আসবাবপত্র কিনতে পারবেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে, যা ভবিষ্যতে রপ্তানি আয়ের নতুন খাত হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর