প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন উপজেলা বা থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) পদে সাতজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জীবনবৃত্তান্ত যাচাই শেষে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসির) সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রাক-নিয়োগ জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ে নিয়োগের জন্য যোগ্য বিবেচিত হওয়ায় সাতজনকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন- মো. রায়হান কবির, মো. নাজমুল হোসেন, মো. তারিকুল ইসলাম, মো. শিব্বির আহমেদ, মো. সাকাওয়াত হোসাইন, মো. আলমগীর হোসেন ও মো. রোকনুজ্জামান।
যেসব শর্তে ৭ এটিইও নিয়োগ:
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চাকরির প্রথম দুই বছর শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য হবে। শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনক হওয়ার পর তাদের চাকরি স্থায়ী করার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে। এ বিষয়ে যথাসময়ে ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পৃথক সরকারি আদেশ জারি করা হবে।
শিক্ষানবিশকালে চাকরি সন্তোষজনক বিবেচিত না হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যেতে পারে।
এছাড়া চাকরিতে যোগদানের জন্য তারা কোনো ধরনের ভ্রমণ ভাতা বা দৈনিক ভাতা পাবেন না। যোগদানের তারিখ থেকে তাদের কার্যকাল গণনা করা হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক নির্ধারিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে অথবা বিবাহের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে। চাকরির ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান, আদেশ ও সরকার কর্তৃক ভবিষ্যতে প্রণীত বিধি-বিধান ও আদেশ দ্বারা তারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রার্থীদের দাখিল করা শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদপত্র সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাচাই শেষে সঠিকতা নিশ্চিত করে বেতন-ভাতা প্রদান করতে হবে। কোনো সনদ সঠিক পাওয়া না গেলে নিয়োগ বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মিরপুর-২, ঢাকা বরাবর যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে কেউ যোগদান করতে ব্যর্থ হলে, তিনি চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে গণ্য হবেন এবং তার নিয়োগাদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।