1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি ও লবণের পরিমাণ উল্লেখ বাধ্যতামূলক করতে হবে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৪২ বার পঠিত

অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ মানুষের মধ্যে অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। দেশে এসব রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ ও তথ্য জানার অধিকার রক্ষায় প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাটের পরিমাণ বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করা জরুরি।

বিশ্বব্যাপী এ লক্ষ্য অর্জনে ফ্রন্ট–অব–প্যাকেজ লেবেলিং ব্যবস্থা চালু করে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাট সম্পর্কে স্বাস্থ্য সতর্কতা জানানো হচ্ছে। বাংলাদেশেও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত এ ফ্রন্ট–অব–প্যাকেজ লেবেলিং ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা উচিত।

শনিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ফ্রন্ট অব প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল): আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও করণীয়’ শীর্ষক পরামর্শক সভায় এ কথা বলেন বক্তারা। যৌথভাবে সভার আয়োজন করে সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ), আর্ক ফাউন্ডেশন ও পাবলিক হেলথ ল ইয়ার্স নেটওয়ার্ক।

সভায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৭০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য বর্তমানে অসংক্রামক রোগ দায়ী। এসব অসংক্রমক রোগের প্রধান কারণ চিনি, লবণ এসব চর্বিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার। মোট জনসংখ্যার ৯৭ শতাংশ প্রতি সপ্তাহে প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণ করে, সুস্পষ্ট পুষ্টি সম্পর্কিত তথ্যের অভাবে জনগণ গুরুতর স্বাস্থ্য ক্ষতি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতি বছর প্রায় ৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন মানুষ চিকিৎসা করতে গিয়ে দারিদ্র্য হয়ে যাচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান লেবেল ছাড়া, ভোক্তারা বিশেষ করে শিশুরা বিভ্রান্তিকর বিপণনের ঝুঁকিতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান বেশিরভাগ কার্বনেটেড পানীয় এবং জুসের ওপর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সতর্কতার অনুপস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি এবং আন্তর্জাতিক স্ট্যাডার্ডের পরিপন্থি।

বক্তারা বলেন, নাগরিকদের মোড়কে লিখিত খাদ্যের মান দেখে পণ্য কেনার বিষয়ে সচেতন করতে হবে। যদি এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায় তবে উৎপাদনকারীরাও মোড়কে সঠিক তথ্য দিতে বাধ্য হবে। একই সঙ্গে আইনের মাধ্যমে মোড়কে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খাদ্য শিল্প উৎপাদন অধ্যাপক ড. মো. শোয়েব সদস্য, বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক (মেট্রোলজি) ইন্জি. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিএইচএআইয়ের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কুদ্দুস, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর