1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

তিন পণ্যে শুল্ক প্রত্যাহার করে আমদানি উন্মুক্ত করার প্রস্তাব

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৯২ বার পঠিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | দেশে বেশ কয়েকমাস ধরে পেঁয়াজ-আলু ও ডিমের দাম বেশি। এর মধ্যে চলমান বন্যায় কৃষি উৎপাদন ক্ষতির মুখে পড়ায় এ তিন পণ্যের নতুন করে সরবরাহ বিঘ্ন ঘটায় কিছু স্থানে পণ্যগুলোর দাম বাড়ছে। দাম আরও বৃদ্ধির ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় পণ্য তিনটির আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক প্রত্যাহার করে আমদানি উন্মুক্ত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে একটি চিঠি দিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব সেলিম উদ্দিন বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এনবিআর কাজ করছে। কয়েক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা করছি।

ওই প্রস্তাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ডিম, পেঁয়াজ ও আলুর আমদানি উন্মুক্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক প্রত্যাহার করলে কম খরচে পণ্যগুলো আমদানি হবে। এতে দেশের বাজারকে স্থিতিশীল রাখা যাবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, প্রতি বছর দেশে ৬ থেকে ৭ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি হলেও বিশেষ অনুমতি ছাড়া ডিম ও আলু আমদানি হয় না। দেশে প্রতি বছর পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২৮ লাখ টন, আলুর চাহিদা রয়েছে ৯০ লাখ টন। প্রতি দিন সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি ডিম উৎপাদন হয়। কিন্তু বন্যা আক্রান্ত ১১টি জেলায় ডিম ও মুরগির উৎপাদন অবকাঠামো ধ্বংস হওযার পাশপাশি অনেক মুরগি মারা গেছে বলে জানায় মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানি ৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি ও ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি বিদ্যমান রয়েছে। ডিম ও আলু আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ ও রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ এবং এআইটি রয়েছে ৫ শতাংশ করে। যা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে আমদানি উৎসাহিত করতে পারলে স্থানীয় বাজামূল্য কমানো সম্ভব হবে। যা মূল্যস্ফীতিকেও হ্রাস করবে বলে মনে করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন পণ্য তিনটির আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন বিশ্লেষণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত সরকার পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করেছে এবং ৪০ শতাংশ বাড়তি রপ্তানি শুল্ক আরোপ করেছে। অন্যদিকে সবমিলে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক দিতে হয় কাস্টমসকে।

অন্যদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসেব বলছে দেশে গত বছরের তুলনায় এবারে ১২ লাখ টন আলুর উৎপাদন কম হয়েছে, যার একটি নেতিবাচক প্রভাব কয়েক মাস ধরেই বাজারে রয়েছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে রেকর্ড পরিমাণ দামে আলু কিনতে হচ্ছে ভোক্তাকে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, শর্ত সাপেক্ষে ডিম ও আলু আমদানিযোগ্য হলেও বর্তমানে এ দুটি পণ্য আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাই সুনির্দিষ্ট মেয়াদে পণ্য দুটি আমদানিতে শুল্ক রেয়াত সুবিধা দিলে সরকারের কাঙ্খিত রাজস্ব আহরণে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা নেই।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর