মক্কার অধিবাসীদের উপেক্ষা, কটুকাটব্য, অত্যাচার সহ্য করে মহানবি হজরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম) ১৩ বছর মক্কায় ইসলাম প্রচার করেন। কিন্তু মক্কার বেশিরভাগ মানুষ বিশেষত মক্কার নেতৃস্থানীয় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেশিরভাগ
জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ওয়াজিব আমল হলো জুমার নামাজ। জুমার নামাজের গুরুত্ব বোঝাতে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি অলসতা করে ধারাবাহিকভাবে তিনটি জুমার জামাতে অনুপস্থিত থাকে, আল্লাহ তা’আলা তার
মিশরের অধিবাসী কিবতিদের রাজাকে ফেরাউন বলা হতো। আল্লাহ তার নবি হজরত মুসাকে (আ.) নবুয়্যত দিয়ে তার সমকালীন ফেরাউনকে তাওহিদ বা একত্ববাদের দাওয়াত দিতে পাঠিয়েছিলেন যে অত্যন্ত দাম্ভিক ও অহংকারী ছিল
আজানের পর দরুদ পাঠ করা সুন্নত। আজানের সময় অযথা কথাবার্তা না বলে আজান শোনা ও আজানের জবাব দেওয়া এবং আজানের পর নবিজির (সা.) জন্য দোয়া করার বিশেষ ফজিলত ও পুরস্কারের
ফরজ নামাজের পাশাপাশি নবিজি (সা.) ও তার সাহাবিরা নিয়মিত ১২ রাকাত নফল নামাজ পড়তেন। যে নামাজকে আমরা সুন্নাতে মুআক্কাদা বলে থাকি। প্রতিদিন ১২ রাকাত নফল নামাজের ফজিলত বর্ণনা করে রাসুল
জুমা অর্থ সম্মিলন বা জমায়েত। জুমা শুদ্ধ হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো কিছু সংখ্যাক মানুষের জমায়েত। কিছু সংখ্যাক মানুষ একসাথে জামাতবদ্ধ হয়েই জুমার নামাজ আদায় করতে হয়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ
কেউ যদি নির্দিষ্ট কোনো মসজিদে নামাজ আদায়ের মানত করে, তাহলে যে কয় রাকাত নামাজের মানত সে করেছিলো, তা যে কোনো জায়গায় আদায় করলে মানত পূর্ণ হয়ে যাবে। মসজিদে হারাম, মসজিদে
নবিজির তিন ছেলেই শৈশবে মৃত্যু বরণ করেন। প্রথম দুই ছেলের জন্ম হয়েছিল মক্কায় হজরত খাদিজার (রা.) গর্ভে। নবিজির (সা.) প্রথম ছেলের নাম ছিল কাসেম। তিনি নবিজির (সা.) প্রথম সন্তান। তার
হাদিসে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় একটি বিশেষ দোয়া পড়ার নির্দেশনা রয়েছে, যাতে আল্লাহর শক্তি ও ক্ষমতার ওপর বান্দার পূর্ণ আস্থা ও ভরসা প্রকাশ পায়। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়
জুমার দিনের অনেক সওয়াব ও ফজিলত আছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে এসো এবং বেচাকেনা