1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

প্রত্যাশা সহসাই নতুন ইসি, রুটিন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সচিব

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৮৬ বার পঠিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি) একযোগে পদত্যাগ করায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে এরই মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. বদিউল আলম মজুমদারকে নিয়োগ দিয়েছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। এর ফলে দ্রুতই সিইসিসহ চার কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা করছে কমিশন।

তবে কমিশনের রুটিন কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিম। এতে করে কিছু কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে রুটিন কাজে সমস্যা হচ্ছে না বলে জানান শফিউল আজিম।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়া বড় সিদ্ধান্ত নিতে কোনো সমস্যা হবে কি? এই বিষয়ে সচিব বলেন, রুটিন কাজে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তবে কোনো কিছুর সিদ্ধান্তের বিষয়ে তখন আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবগত করি। তখন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সব কিছু সমাধান করে দেয়। তবে রুটিন কাজে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

কবে নাগাদ সিইসিসহ অন্য কমিশনার নিয়োগ হতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, যেহেতু নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. বদিউল আলম মজুমদারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং খুব বেশি সময় লাগবে না বলে মনে করি। আশা করি খুব বেশি সময় লাগবে না।

চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদ থেকে কাজী হাবিবুল আউয়াল এবং নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে তার অন্য চার সহকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেন। ফলে নির্বাচন কমিশন এখন শূন্য। কত দিনের মধ্যে এই শূন্যতা পূরণ করতে হবে তার কোনো বাধ্যবাধকতা আইনে নেই। সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বলা আছে। সেখানে নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ সম্পর্কে বলা থাকলেও কোনো পদ শূন্য হওয়ার কত দিনের মধ্যে তা পূরণ করতে হবে সে বিষয়ে কিছু নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনেও এ বিষয়ে কিছু উল্লেখ নেই।

অবশ্য বিভিন্ন সময় নির্বাচন কমিশন শূন্য থাকার নজির আছে। ২০০৭ সালে বিচারপতি এম এ আজিজের নেতৃত্বাধীন কমিশনের পদত্যাগের পর সপ্তাহ খানেক ইসি শূন্য ছিল। ২০২২ সালে কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করার পর প্রায় ১২ দিন শূন্য ছিল নির্বাচন কমিশন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর