1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে যে পাঁচটি খাবার তালিকায় রাখবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

যকৃতে চর্বি জমাকে ফ্যাটি লিভার বলে। লিভার এমন একটি প্রত্যঙ্গ যা দূষিত পদার্থ দূর করা থেকে প্রোটিন সংশ্লেষ, রক্ত পরিশোধন, হজমে সহায়তা করা-সহ অজস্র জটিল কাজ করে। লিভারের কার্যকারিতা কমলে, তার প্রভাব সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপরেই আসে।

সাধারণত অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, রক্তে অতিরিক্ত মাত্রায় ট্রাইগ্লিসারাইড এবং কম গুড কোলেস্টেরল বা এইচডিএল, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, কার্বোহাইড্রেট ও চর্বির বিপাকে সমস্যার কারণে যকৃতে চর্বি জমে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। এই তিনটির মধ্যে সঠিক খাদ্যাভ্যাসই সবচেয়ে জরুরি। কিছু খাবার লিভারের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সেগুলো হলো-

সবুজ শাক এবং সবজি: মেথি, পালং, পুঁইশাক-সহ টাটাকা শাক এবং সব্জিতে থাকে ফাইবার। এই ধরনের সবজি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। ফাইবার জাতীয় খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ওজন বশে রাখতেও তা পরোক্ষভাবে সাহায্য করে যা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমায়।

তৈলাক্ত মাছ: তৈলাক্ত মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা ট্রাইগ্লিসারয়েডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। বিপাকীয় স্বাস্থ্য ভাল রাখে, যা লিভার ভাল রাখার জন্য জরুরি।

আখরোট: আখরোটে মেলে গ্লুটাথিয়ন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং আরজিনিন। যা লিভারের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। শরীর থেকে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া ও বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণে সহায়তা করে। লিভারের ভিতরের প্রদাহ ও চর্বির আধিক্য কমায়। ​ প্রতিদিন সকালে ৪–৫টি ভেজানো বা শুকনো আখরোট খেতে পারেন। তার বেশি নয়।

বিট: বিটে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফাইবার এবং নাইট্রেট থাকে। ​ ​পিত্তরস তৈরিতে সাহায্য করে। উৎসেচকের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধ করে লিভার সতেজ রাখে।

লেবু ও ভিটামিন সি যুক্ত ফল: আমলকি, পেয়ারা, লেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এগুলি লিভারকে বিষমুক্ত করতেও সাহায্য করে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর