৪৬তম দাবা অলিম্পিয়াডে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছেন ১১ বছর বয়সী বোধনা শিবানাবন্দন। ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ নারী গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন তিনি।
উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের বাসিন্দা বোধনা শিবানাবন্দন ইংল্যান্ডের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায়। রোববার শেষ হয়েছে এবারের দাবা অলিম্পিয়াড।
ইউটিউবে প্রকাশিত এক সাক্ষাতকারে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশনকে (ফিডে) বোধনা বলেন, তিনি ‘ইতিহাস সৃষ্টি করে যেতে’ চান।
নারী গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার অর্থ হলো দাবায় নারীদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খেতাব অর্জন করা। বোধনা শিবানাবন্দন বলেন, ‘আমি খুশি যে এটা করতে পেরেছি। তবে আমি এখানেই থেমে যেতে চাই না। সামনে এগিয়ে যেতে চাই এবং ইতিহাস সৃষ্টি করে যেতে চাই।
এর আগে ব্রিটেনের সর্বকনিষ্ঠ নারী দাবা চ্যাম্পিয়ন এবং যেকোনো খেলায় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা সবচেয়ে কম বয়সী ক্রীড়াবিদ হওয়ার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কোনো চাপ অনুভব করেছেন কি না, এমন প্রশ্নও করা হয় তাকে। সেই প্রশ্নের জবাবে বোধনা বলেন, ‘আসলে তেমনটা নয়। আমি শুধু উপভোগ করার চেষ্টা করেছি।
এটি তার দ্বিতীয় দাবা অলিম্পিয়াড। বোধনা বলেন, ‘আগেরবারের সঙ্গে অনেকটাই একই রকম মনে হয়েছে। শুধু এবার আমি অন্য বোর্ডে খেলেছি।
মাত্র ১০ বছর ৫ মাস ৩ দিন বয়সে ৬০ বছর বয়সী গ্র্যান্ডমাস্টার পিট ওয়েলসকে হারিয়েছিলেন বোধনা। ফিডের তথ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে ২০১৯ সালে ১০ বছর ১১ মাস ২০ দিন বয়সে গ্র্যান্ডমাস্টারকে হারানো মার্কিন দাবাড়ু কারিসা ইপের রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি।