1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

যুদ্ধের ধাক্কার মধ্যেই ইরানে বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৮ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে সাত দশমিক পাঁচ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে প্রায় পাঁচ দশমিক সাত ট্রিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য বলে জানিয়েছেন ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে পাকনেজাদ জানান, ফার্স প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন এ গ্যাসের মজুতের সন্ধান মিলেছে। এতে মোট গ্যাসের পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন বা ২০ হাজার কোটি ঘনমিটারের বেশি। এর মধ্যে ১৬০ বিলিয়ন বা ১৬ হাজার কোটি ঘনমিটারের বেশি গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এ গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন শুরু হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। পাকনেজাদ জানান, এটি ‘সুইট ন্যাচারাল গ্যাস’। এ ধরনের গ্যাসে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের পরিমাণ খুব কম থাকে। ফলে এটি উত্তোলন ও উন্নয়নে তুলনামূলকভাবে কম খরচ হয়। ইরান যত দ্রুত সম্ভব এ সম্পদ আহরণের পরিকল্পনা করছে বলেও জানান তিনি।

ইরানের নতুন এই গ্যাসের সন্ধান এমন এক সময় এলো, যখন যুদ্ধের কারণে ইরানের জ্বালানি খাত বড় ধরনের সংকটে রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে নিশানা করে একাধিক হামলা চালানো হয়েছে। গ্যাস উৎপাদনকেন্দ্র, তেল সংরক্ষণাগার ও পরিবহণব্যবস্থা এসব হামলার মূল নিশানা ছিল।

হামলায় দেশটির দৈনিক গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। এর মধ্যে দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু উৎপাদন সক্ষমতা অবশ্য পরে আবার চালু করা হয়েছে।

যুদ্ধের আগে থেকেই ইরানের জ্বালানি খাত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা, বিনিয়োগের ঘাটতি ও বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছিল। তাই নতুন এ গ্যাসের সন্ধান দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে, নতুন আবিষ্কৃত এ গ্যাস দ্রুত বাজারে আসার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

এরই মধ্যে শীতের মৌসুমে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ইরান। তাই নাগরিকদের গ্যাস ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশাল এ গ্যাসের মজুত ইরানের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধ ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির কারণে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করতে বড় ধরনের বিনিয়োগ ও সময় প্রয়োজন হবে।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর