আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চচলতি বছরের নভেম্বরে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। ফলে বিশ্বজুড়েই এই দুই প্রার্থীকে নিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
ব্যবসার ক্ষেত্রে এই দুইজনের মধ্যে কে ভালো হবেন সে সম্পর্কে জাপানে একটি জরিপ চালিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। এতে অধিকাংশ জাপানি কোম্পানি জানিয়েছে, কমলা হ্যারিসই ভালো হবেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ জাপানি কোম্পনি করপোরেট কৌশল ও ব্যবসার ক্ষেত্রে হ্যারিসকে পছন্দ করছেন। এক্ষেত্রে ৮ শতাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন।
তাছাড়া মোট ৪৬ শতাংশ মনে করছে, দুই প্রার্থীই ভালো হবে। যদিও তিন শতাংশ বলেছে দুইজনের একজনও ভালো নয়।
জরিপে একটি সিরামিকস উৎপাদনকারী কোম্পানির ম্যানেজার বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে নতুন করে বাণিজ্য যুদ্ধের পাশাপাশি নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্পের সময়ে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না। এর কারণ ছিল বাণিজ্য উত্তেজনা ও ট্রাম্পের দাবি ছিল সামরিকখাতে আরও সহায়তা।
ক্যামিক্যাল কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হ্যারিসের সঙ্গে আমরা আশা করতে পারি বর্তমান নীতিগুলো ব্যাপকভাবে বজায় থাকবে, যা ভবিষ্যতে আমাদের আরও ভালো ফলাফল দেবে।লতি বছরের নভেম্বরে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। ফলে বিশ্বজুড়েই এই দুই প্রার্থীকে নিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
ব্যবসার ক্ষেত্রে এই দুইজনের মধ্যে কে ভালো হবেন সে সম্পর্কে জাপানে একটি জরিপ চালিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। এতে অধিকাংশ জাপানি কোম্পানি জানিয়েছে, কমলা হ্যারিসই ভালো হবেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ জাপানি কোম্পনি করপোরেট কৌশল ও ব্যবসার ক্ষেত্রে হ্যারিসকে পছন্দ করছেন। এক্ষেত্রে ৮ শতাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন।
তাছাড়া মোট ৪৬ শতাংশ মনে করছে, দুই প্রার্থীই ভালো হবে। যদিও তিন শতাংশ বলেছে দুইজনের একজনও ভালো নয়।
জরিপে একটি সিরামিকস উৎপাদনকারী কোম্পানির ম্যানেজার বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে নতুন করে বাণিজ্য যুদ্ধের পাশাপাশি নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্পের সময়ে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না। এর কারণ ছিল বাণিজ্য উত্তেজনা ও ট্রাম্পের দাবি ছিল সামরিকখাতে আরও সহায়তা।
ক্যামিক্যাল কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হ্যারিসের সঙ্গে আমরা আশা করতে পারি বর্তমান নীতিগুলো ব্যাপকভাবে বজায় থাকবে, যা ভবিষ্যতে আমাদের আরও ভালো ফলাফল দেবে।