1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

প্রাকৃতিক অনিন্দ্য সুন্দর পাহাড়ি ঝরনা বোয়ালিয়া : ভ্রমণপিপাসুদের বেড়ানোর এখনই উপযুক্ত সময়

ভ্রমণ ডেস্ক | সানজিদা নুসরাত পিংকী |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত

মিরসরাইয়ের অন্যতম প্রাকৃতিক পাহাড়ি ঝরনা বোয়ালিয়া। ভ্রমণপিপাসুদের এখানে বেড়ানোর এখন উপযুক্ত সময়। উপজেলার অন্য ঝরনার তুলনায় বোয়ালিয়ার কিছুটা ভিন্নতা আছে। এর আকৃতি অনেকটা ব্যাঙের ছাতা ও বোয়াল মাছের মাথার মতো। হয়তো এ কারণেই নাম হয়েছে বোয়ালিয়া।

বোয়ালিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ঝরনা হচ্ছে নহেতিকুম ও বোয়ালিয়া। এখানে ওপরের তিন দিক থেকে পানি পড়ে। নহেতিকুম ঝরনার সামনে গভীর গর্ত। যারা সাঁতার জানেন না; তাদের জন্য পানিতে নামা বিপজ্জনক হতে পারে। এখানে দুটি বড় গোলাকৃতির দণ্ডায়মান পাথর আছে। পর্যটকদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য উপযোগী। যারা এখানে প্রথম ট্র্যাকিং করেছেন, তারা হাঁটার সময় হোঁচট খেয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। তাই খুব সাবধানে চলতে হবে।

ঝরনার চারদিক ঘন জঙ্গলে ঘেরা। উঁচু-নিচু, আঁকাবাঁকা পথ ও পিচ্ছিল পাথর পেরিয়ে ঝরনা দেখে মুগ্ধ হয়ে ভুলে যাবেন দুর্গম পথের ক্লান্তি। সব বাধা উপেক্ষা করে পাহাড়, পানি, পাথর, গভীর কূপ পেরিয়ে যখন ঝরনার শীতল পানিতে শরীর ভেজাবেন, সব ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে যাবে।

মিরসরাই পৌর সদর হয়ে ফটিকছড়ি নারায়ণহাট সড়কের রেললাইন পার হয়ে ব্র্যাক অফিসের উত্তর পাহাড়ে এই ঝরনার অবস্থান। পাহাড়ের পাদদেশে গাড়ি রেখে দুই কিলোমিটার হাঁটলেই ঝরনার দেখা মিলবে। ঝরনার ওপরে আরও ছোট ছোট ঝরনা আছে।

বোয়ালিয়া ঝরনায় বেড়াতে আসা নুর উদ্দিন সজিব বলেন, ‌‘মিরসরাই উপজেলার অনেক ঝরনায় যাওয়া হয়েছে। প্রথমবার বোয়ালিয়া ঝরনায় এলাম। খুব ভালো লাগছে। সবাই মিলে দারুণ উপভোগ করেছি।’

ঝরনায় বেড়াতে আসা পর্যটক মির্জা আরিফ বলেন, ‘বোয়ালিয়া ঝরনা সম্পর্কে অনেকে জানেন না। শান্ত ও নিরিবিলি; এককথায় অসাধারণ ভিউ। স্বচ্চ আর শীতল পানির সাথে সুউচ্চ গিরি। নিভৃত গিরিপথ হয়ে যতদূর যাবেন, নানা পাখপাখালি আর ঝিঁঝি পোকার ডাক শোনা যায়।’

মিরসরাইয়ের অন্যান্য ঝরনায় প্রবেশ করতে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। বোয়ালিয়া ঝরনা বন বিভাগের ইজারার আওতাধীন না থাকায় কোনো টিকিটের প্রয়োজন হয় না। তাই অন্য বছরের তুলনায় এবার এখানে পর্যটক বেশি।

যেভাবে যাবেন:
দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে  গাড়িযোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পৌর সদরে নামতে হবে। এরপর কলেজ রোডের মুখে সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিজার্ভ ও লোকাল পাওয়া যায়। এ ছাড়া মাইক্রোবাস বা প্রাইভেটকারসহ ছোট গাড়ি সড়কের ব্র্যাক পর্যন্ত যাওয়া যায়। সেখান থেকে ছড়া ধরে বা মানুষের তৈরি পথ ধরে হাঁটলেই বড় ছড়া। সেখান থেকে একটুু উত্তরে গেলে বোয়ালিয়া ঝরনা।

থাকা-খাওয়া:
মিরসরাই সদরে একাধিক রেস্টুরেন্ট আছে। থাকার জন্য বড়তাকিয়া বাজারে কয়েকটি আবাসিক হোটেল আছে। এ ছাড়া পর্যটন স্পট থেকে ৫০ মিনিটের পথ চট্টগ্রাম শহরের একে খান ও অলংকার মোড়ে আছে রিসোর্ট এবং আবাসিক হোটেল।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর