1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা

ভারতে তীব্র হচ্ছে বিক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন রাহুল গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ২৯ বার পঠিত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তীব্র হচ্ছে। এমন অবস্থায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চেয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।

গতকাল মঙ্গলবার জন্তর মন্তর থেকে রাহুলকে আটক করা হয়। আজ মুক্তি পান তিনি। এরপর আজ এক সংবাদ সম্মেলনে রাহুল কথা বলেন। সেখানেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি করেন তিনি।

রাহুল বলেন, “শিক্ষার্থীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চাইছেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। তাকে এই মুহূর্তে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া উচিত। তিনি এই পুরো ব্যবস্থাকে চালানোর জন্য একজন অক্ষম ব্যক্তি।”

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর ক্ষোভে ফুসে ওঠেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ককরোচ জনতা পার্টির ব্যানারে তারা আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষার্থীরাও ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগ চেয়ে আসছেন।

রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন এক যুগে ১৫২ বার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। কিন্তু এজন্য দায়ী কাউকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি।

তিনি বলেন, “গত এক যুগে ১৫২ বার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। যদি আপনি হিসাব করেন তাহলে প্রতিমাসে একবার করে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় সাড়ে সাত কোটি শিক্ষার্থী ও পরিবার এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত। তারা তাদের পুরো জীবনের কষ্টার্জিত সাশ্রয় এসব পরীক্ষায় খরচ করেছেন। তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।”

“তবে সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো গত ১০ বছরে প্রশ্ন ফাঁসের দায়ে কাউকে দায়ী করা হয়নি। এটি শূন্য।”

বর্তমানে ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা পাতানো শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে কংগ্রেসের এ নেতা আরও বলেন, “তরুণ শিক্ষার্থীরা বলছে তারা একটি সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার অধিকার রাখে। বাচ্চারা (শিক্ষার্থী) আত্মহত্যা করেছে। তারা অসংখ্য যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গেছে। আর তাদের শেষ মুহূর্তে বলা হয়েছে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে। এটি আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত গভীর এক সমস্যা। সবার কাছে পরিষ্কার আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন পাতানো ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। যা এক সময় বিশ্বের সেরা ছিল।”

সূত্র: এনডিটিভি

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর