1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

গর্ভবতী নারীর নিরাপদে রোজা রাখার উপায়

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬০ বার পঠিত

পবিত্র রমজানে গর্ভবতী নারীদের রোজা রাখা নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা ও প্রশ্ন থাকে। মা ও অনাগত শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে সচেতনতা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা. সাবরিনা সুলতানা মিষ্টি তার ফেসবুকে লিখেছেন, গর্ভাবস্থায় রোজা রাখতে চাইলে প্রথমেই চিকিৎসকের অনুমতি নেওয়া উচিত। বিশেষ করে উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তশূন্যতা, অতিরিক্ত বমি কিংবা আগের গর্ভপাতের ইতিহাস থাকলে রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

তিনি বর্তমানে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক (গাইনি অ্যান্ড অবস) হিসেবে কর্মরত আছেন।

সেহরিতে পুষ্টিকর খাবারের পরামর্শ:
ডা. মিষ্টি জানান, সেহরিতে লাল চাল, আটার রুটি, ডিম, ডাল, দুধ, বাদাম, ফল ও শাকসবজি খেলে দীর্ঘ সময় শক্তি বজায় থাকে। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত, কারণ ডিহাইড্রেশন গর্ভাবস্থায় মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

চা, কফি ও অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ইফতার খেজুর ও পানি দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে সুষম খাবার গ্রহণ করা ভালো। একসঙ্গে বেশি খাবার খেলে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।

বিশ্রাম ও সতর্কতার গুরুত্ব:
গর্ভবতী নারীদের দিনে হালকা কাজ করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিলে এবং মা বা শিশুর ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে রোজা ভেঙে যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন এই বিশেষজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, শিশুর নড়াচড়া কমে গেলে, তীব্র পেটব্যথা হলে কিংবা মাথাঘোরা, অজ্ঞান হওয়ার ভাব, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা গাঢ় রং হওয়া, তীব্র তৃষ্ণা, রক্তপাতের মতো সতর্কসংকেত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে রোজা ভাঙতে হবে।

সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে সচেতনতা:
গর্ভাবস্থায় আয়রন ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে—সাধারণত ইফতার বা সেহরির পরে—গ্রহণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

এছাড়া দিনের কাজগুলো সম্ভব হলে রাতে সম্পন্ন করলে দুর্বলতা তুলনামূলক কম হতে পারে বলেও মত দেন ডা. সাবরিনা সুলতানা মিষ্টি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী গর্ভবতী নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলে রোজা না রাখার সুযোগ রয়েছে। তাই মা ও শিশুর সুস্থতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর