1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

অন্তিম মুহূর্তে যে উপদেশ দিয়েছিলেন নুহ (আ.)

ইসলাম ও জীবন |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭১ বার পঠিত

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত একদিন আমরা রাসুলুল্লাহর (সা.) এর কাছে বসে ছিলাম। রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহর নবী নুহ (আ.) যখন মৃত্যুশয্যায় ছিলেন, তিনি তার ছেলেকে বললেন, আমি আমি তোমাকে দুটি নির্দেশ দিচ্ছি এবং দুটি কাজ করতে নিষেধ করছি।

আমি তোমাকে নির্দেশ দিচ্ছি:

১. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-কে আঁকড়ে ধরো। কারণ সাত আসমান ও সাত জমিন যদি এক পাল্লায় রাখা হয় আর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ অন্য পাল্লায় রাখা হয়, তবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ সব কিছুর চেয়ে ভারী হবে। আর যদি সাত আসমান ও সাত জমিন একটি বন্ধ আংটির মতো হয়, তবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ তা ভেঙে ফেলবে।

২. ‘সুবাহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’-কে আঁকড়ে ধরো। এই জিকির সমস্ত সৃষ্টিজীবের নামাজ এবং এর মাধ্যমে সৃষ্টিজীব রিজিক পায়।

আর আমি তোমাকে নিষেধ করছি:

১. শিরক থেকে।

২. অহংকার থেকে।

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, শিরক কী তা তো আমরা জানি। কিন্তু অহংকার কী? এটা কি এই যে আমাদের কারো সুন্দর জুতা থাকবে, তাতে সুন্দর ফিতা থাকবে?

রাসুল (সা.) বললেন, না।

আমি বললাম, এটা কি এই যে আমাদের কারো সুন্দর পোশাক থাকবে?

রাসুল (সা.) বললেন, না।

আমি বললাম, এটা কি এই যে আমাদের কারো আরোহণ করার মত উট বা ঘোড়া থাকবে?

তিনি বললেন, না।

এটা কি এই যে আমাদের অনুসারী থাকবে যারা আমাদের কথা শোনার জন্য আসবে?

তিনি বললেন, না।

কেউ বললো, তাহলে অহংকার কী হে আল্লাহর রাসুল!

রাসুল (সা.) বললেন, অহংকার হলো সত্যকে অস্বীকার করা এবং মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা। (মাজমাউয-যাওয়ায়েদ)

হজরত নুহ (আ.) মানবজাতির কাছে প্রেরিত আল্লাহ তাআলার একজন সম্মানিত নবী ও রাসুল। আল্লাহ তাআলা তাকে এমন এক জাতির কাছে পাঠিয়েছিলেন যারা শিরকসহ বিভিন্ন পাপ ও অন্যায় কাজে লিপ্ত ছিল। আল্লাহ তাআলার নির্দেশে তিনি তাদেরকে শিরকসহ সব পাপাচার থেকে বিরত থাকার এবং আল্লাহর একত্বে বিশ্বাস স্থাপন করার দাওয়াত দেন। তাদের হেদায়াতের জন্য তিনি দীর্ঘকাল ধরে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু তার জাতির বেশিরভাগ মানুষ ইমান আনেনি।

এক পর্যায়ে তিনি নিজের জাতির বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। ফলে আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আল্লাহর নির্দেশে তিনি একটি নৌকা তৈরি করেন এবং এক মহাপ্লাবন ঘটে। ওই মহাপ্লাবনের পরে পৃথিবীতে শুধু হজরত নুহ (আ.) ও তার নৌকার আরোহী ইমানদার কিছু মানুষ বেঁচে থাকেন। বাকি সবাইকে আল্লাহ তাআলা ধ্বংস করে দেন।

কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ তাআলা হজরত নুহের (আ.) কথা বলেছেন, তার প্রশংসা করেছেন। তার দাওয়াত, প্রচেষ্টা ও তার জাতির অবাধ্যতা, আল্লাহর শাস্তিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার বিস্তারিত বিবরণ এসেছে কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর