1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

মোদির নয়া মন্ত্রী পরিষদ : টিডিপি’র ০৪, জেডিইউ’র ০২।

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪
  • ১১১ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মোদীর নতুন সরকারে ৪ মন্ত্রণালয় টিডিপি’র, জেডিইউ’র ২ বৈঠকে নরেন্দ্র মোদীর পাশে চন্দ্রবাবু নাইডু ও নীতিশ কুমার। ছবি সংগৃহীত
নরেন্দ্র মোদীর তৃতীয় সরকারে চারটি মন্ত্রণালয় পেতে যাচ্ছে চন্দ্রবাবু নাইডুর দল টিডিপি। নির্বাচনে তারা জিতেছে ১৬ আসনে। আর ১২ আসনে জেতা নীতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) পাচ্ছে দুটি মন্ত্রণালয়। শনিবার (৮ জুন) সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

খবরে বলা হয়েছে, টিডিপি থেকে মোদীর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলা সম্ভাব্য চার নেতার মধ্যে তিনজন হলেন- রাম মোহন নাইডু, হরিশ বালযোগী এবং দগ্গুমালা প্রসাদ।

আর নীতিশ কুমারের দল থেকে সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে দুজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তারা হলেন- লালন সিং ও রাম নাথ ঠাকুর।

বিজেপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) বৈঠকে নতুন মন্ত্রিসভার বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র বলছে, অন্ধ্র প্রদেশে ১৬টি লোকসভা আসনে জয়ী হওয়ার পর টিডিপি চারটি মন্ত্রণালয় এবং সংসদীয় স্পিকারের পদ দাবি করেছিল। আর ১২ আসনে জেতা জেডিইউ চেয়েছিল দুটি মন্ত্রী পদ।

গত ৪ জুন ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বিজেপি সর্বাধিক আসনে জয় পেলেও প্রত্যাশার চেয়ে খারাপ ফল করেছে তারা। মোদীর নেতৃত্বে আগের দুই নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও এবার ২৭২ আসনের ম্যাজিক ফিগার পেরোতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। তারা জিতেছে ২৪০ আসনে, অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে এখনো ৩২ আসন দরকার বিজেপির।

যদিও জোটগতভাবে ২৯৩ আসনে জয় পেয়েছে এনডিএ। এর মধ্যে বিজেপির পরে উল্লেখযোগ্য আসন রয়েছে কেবল টিডিপি এবং জেডিইউ’র। ফলে তথাকথিত ‘কিংমেকার’ হয়ে উঠেছেন চন্দ্রবাবু নাইডু ও নীতিশ কুমার। গুরুত্ব পাচ্ছেন নামমাত্র আসন পাওয়া অন্য শরিকরাও।

২০১৪ ও ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপি ভূমিধস জয় পাওয়ায় দরকষাকষির সুযোগ ছিল না জোট শরিকদের। নরেন্দ্র মোদী যা দিয়েছেন, তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাদের। কিন্তু এবার সুযোগ বুঝে নিজেদের দাবি-দাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছেন শরিকরা।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর