1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

সীমান্তে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত : ভারত

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৮৮ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে, যা এখনো চলছে। এর মধ্যেই এবার ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিভেদি বললেন, সীমান্তে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, উপেন্দ্র দ্বিভেদি সম্প্রতি চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগ নামের একটি অনুষ্ঠানে বলেন, চীন সীমান্তে পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল। তবে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। সীমান্ত এখন স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে।

২০২০ সালের আগে সীমান্তে যে শান্ত পরিস্থিতি ছিল, ভারত সেই পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন ভারতীয় সেনাপ্রধান। এর আগ পর্যন্ত সীমান্ত শান্ত বলা যাবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ভারতের সেনাপ্রধান বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে এটি স্বাভাবিক নয়, বরং সংবেদনশীল। যদি তাই-ই হয়, তাহলে আমরা কী চাই? আমরা চাই, ২০২০ সালের এপ্রিলের আগে যে পরিস্থিতি ছিল, তা পুনরুদ্ধার করা হোক।

চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে সেনাপ্রধান বলেন, চীনের সঙ্গে আপনাকে অবশ্যই প্রতিযোগিতা, সহযোগিতা, সহাবস্থান, মোকাবিলা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। সুতরাং ২০২০ সালের আগের অবস্থা পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত, পরিস্থিতি সংবেদনশীল থাকবে। এ নিয়ে আমাদের উদ্বেগ থেকেই যাবে। তাছাড়া, ‘বিশ্বাস’ এখন সবচেয়ে বড় সংকটে পরিণত হয়েছে।

জেনারেল দ্বিভেদী বলেন, চলমান কূটনৈতিক আলোচনা সত্ত্বেও যে কোনো চুক্তির বাস্তবায়ন সামরিক কমান্ডারদের ওপর নির্ভর করে। যদিও কূটনৈতিক আলোচনা থেকে ইতিবাচক সংকেত রয়েছে, তবে সম্পূর্ণ কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।

২০২০ সালের জুনে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়, যাকে একটি টার্নিং পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। কমান্ডার পর্যায়ে ২১ রাউন্ডের আলোচনা সত্ত্বেও পূর্ব লাদাখে ডেপসাং ও ডেমচকের মতো জটিল পয়েন্টগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর