রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ফলে এখন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের দিকে হাঁটছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণে শূন্য হওয়া পদে আগামী ৯০ দিন অথবা তার আগেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ইসি।
এ বিষয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে কমিশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী রোববার বা তার পরবর্তী দিনগুলোতে তফসিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক করবে ইসি। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই দেশবাসী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল জানতে পারবে।
ইসি মাছউদ বলেন, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরপরই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন পরিচালনা করা হবে অনেকটা সংরক্ষিত নারী আসনের পদ্ধতির মতো। প্রার্থী একাধিক হলে নির্ধারিত দিনে জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, আর একক প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। এদিন বিকেল ৫টা ১ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন লিখেছেন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’সহ পাঁচ ধরনের রোগে ভুগছেন। এ কারণে মাঝে মাঝে ক্ষণিকের জন্য অচেতন হয়ে যান। এছাড়া তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারিও হয়েছে।
এসব রোগের কারণে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন।