1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

সবচেয়ে বেশি সবুজ কারখানার স্বীকৃতি এসেছে গত বছর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৪ বার পঠিত

২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি ৩৮টি পোশাক কারখানা পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন’ (লিড) সনদ পেয়েছে। এর আগে অন্য কোনো বছর এত বেশি সংখ্যক কারখানা এই সনদ পায়নি। বেশির ভাগ কারখানাই লিড সনদের উপযোগী করে নির্মাণ করা হচ্ছে। এ রকম অন্তত আরও ৬০০ কারখানা লিড সনদ প্রাপ্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি বিশ্লেষণ করে গ্রহণযোগ্য মানের কারখানাকে লিড সনদ দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)। বাণিজ্যিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ক্ষেত্রেও লিড সনদ দেওয়া হয়। লিড সনদের উদ্দেশ্য হচ্ছে পরিবেশ সুরক্ষা এবং সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সাশ্রয়ী উৎপাদন। এ ধরনের কারখানায় উৎপাদিত পণ্যে একটি ‘গ্রিন ট্যাগ’ থাকে। সচেতন ভোক্তাদের কাছে যার কদর রয়েছে। এ কারণে বড় ব্র্যান্ড এবং ক্রেতাদেরও আগ্রহ বেশি থাকে। ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষিতে এগিয়ে থাকা যায়। দেশের এবং পোশাক খাতেরও ব্র্যান্ড ইমেজ বাড়ে। প্রাকৃতিক আলো-বাতাসেই চলে উৎপাদন। ফলে এসব কারখানায় সাধারণত দুর্ঘটনা খুব কম হয়।

তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী পঞ্জিকা বছরে সর্বাধিক ৩৮টি পোশাক কারখানার লিড সনদ পেয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যক কারখানার লিড সনদের রেকর্ড ছিল। ওই বছর ৩০টি কারখানা লিড সনদ পেয়েছিল। মাঝখানের দুই বছর ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২৪ ও ২৬টি। ২০১১ সালে মাত্র ২টি কারখানার লিড সনদ প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে এর যাত্রা হয় দেশের শিল্প খাতে। ১৯৯৩ সাল থেকে এ সনদ দিয়ে আসছে ইউএসজিবিসি।

গেল বছরে পাওয়া সবুজ সনদের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক ২২টি কারখানাই প্লাটিনাম মানের। লিড সনদের মোট ১১০ নম্বরের মধ্যে ৮০ নম্বরের ওপরের কারখানাকে প্লাটিনাম সনদ দেওয়া হয়। মানের নম্বর ৬০ হলে গোল্ড ক্যাটেগরির সনদ। বিদায়ী বছর ১১টি কারখানা গোল্ড সনদ পেয়েছে। ৫০ থেকে ৫৯-এর মধ্যে হলে সিলভার ক্যাটেগরির সনদ দেওয়া হয়। এই ক্যাটেগরির সনদ পেয়েছে ৫টি কারখানা। এ ছাড়া ৪০ থেকে ৪৯ নম্বরের ক্ষেত্রে শুধু ‘লিড সনদ’ দিয়ে থাকে ইউএসজিবিসি। সব মিলিয়ে দেশে এখন সবুজ সনদের পোশাক কারখানার সংখ্যা ২৭০টিতে উন্নীত হলো। এগুলোর মধ্যে প্লাটিনাম ১১৪টি। গোল্ড ১৩৭ ও সিলভার ১৫টি। এ ছাড়া সাধারণ লিড সনদের কারখানা রয়েছে ৪টি।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর