1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

শিমের কেজি ২০০, ব্রয়লার ১৮০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে সবচেয়ে দামি সবজি শিম আর সবচেয়ে কমদামি সবজি পেঁপে। শিমের কেজি ২০০ টাকা আর পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজিতে। অন্যান্য সবজি কিনতে হলে কেজি প্রতি গুনতে হবে কমপক্ষে ৭০ টাকা। তবে চলতি সপ্তাহে মাছ, মাংস ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ টাকা। প্রতি কেজি মাছের দাম রাজধানীর বাজারভেদে কোথাও ২০ টাকা কম আবার কোথাও ১০ টাকা বেশি।

আজ (শুক্রবার) রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। শসা তুলনামূলক কিছুটা কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। ৩০ টাকা কেজিতে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে।

এদিকে সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরমুখি বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকায়।

সবজি ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি।

বাজারে আরও ঘুরে দেখা যায়, মুরগির বাজারেও দামে তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রেতা মাসুম বলেন, এখন ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ এবং মাছ জীবিত বা মৃত হওয়ার উপরও দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে।

মাছ বিক্রেতা সুলতান আহমদ বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর