1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

শাবান মাসে রোজা রাখার গুরুত্ব

ইসলাম ও জীবন |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৯ বার পঠিত

ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর মধ্যে রোজা অন্যতম। রজব ও শাবান মাসে আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের এই ইবাদত পালন নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। বিশেষ করে শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার বিষয়ে রয়েছে একাধিক সহিহ হাদিস ও আলেমদের স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।

রোজা মূলত এমন একটি আত্মিক ইবাদত, যা মানুষকে ফেরেশতাদের মর্যাদার কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে বান্দা নিজের নফসকে সংযত করে এবং আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে।

একজন মুসলমানের মাঝেমধ্যেই নফল রোজা রাখা উচিত। এতে দুনিয়ামুখী আসক্তি কমে, মনোবল দৃঢ় হয় এবং আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

শাবান মাসে রোজা:

শাবান মাসে রোজার ফজিলত সম্পর্কে একাধিক সহিহ হাদিস রয়েছে। সহিহ মুসলিমে হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে কখনো রমজান ছাড়া পুরো এক মাস রোজা রাখতে দেখিনি। আর শা‘বান মাস ছাড়া অন্য কোনো মাসে তাকে এতো বেশি রোজা রাখতে দেখিনি।

শাবান মাসে যেসব আমল পরিহার করবেন
কেমন ছিল প্রিয়নবী (সা.) এর শাবান মাস
আরেক বর্ণনায় তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসে অল্প কয়েক দিন ছাড়া প্রায় পুরো মাস রোজা রাখতেন।

এই হাদিসগুলো থেকে বোঝা যায়, নবীজি (সা.) শাবান মাসে অন্য যে কোনো মাসের তুলনায় বেশি রোজা রাখতেন। আলেমদের মতে, শারীরিক ও আত্মিক উভয় দিক থেকেই মূলত রমজানের প্রস্তুতির জন্য রাসুল (সা.) শাবান মাসে এই আমল করতেন ।

ইবাদতে ভারসাম্যের তাগিদ:

রাসুলুল্লাহ (সা.) কখনো টানা অনেক দিন রোজা রাখতেন, আবার কখনো কয়েক দিন বিরতি দিতেন। অর্থাৎ ইবাদতের ক্ষেত্রে নিজের সামর্থ্য ও মানসিক প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দুটি হাদিস রয়েছে। একটিতে বলা হয়েছে, তোমরা এমন আমল করো, যা তোমাদের পক্ষে নিয়মিত করা সম্ভব। কারণ আল্লাহ ততক্ষণ সওয়াব দেওয়া বন্ধ করেন না, যতক্ষণ না মানুষ নিজেই আমল করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

অন্য হাদিসে এসেছে, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো সেটি, যা নিয়মিত করা হয়, যদি তা অল্পও হয়।

শাবান মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা সুন্নত ও অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। তবে তা যেন কষ্টসাধ্য বা একঘেয়েমির কারণ না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর