1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

লোডশেডিংয়ের প্রভাব সড়কবাতিতেও, রাতে চলাচলে ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ বার পঠিত

জ্বালানি সংকটে সারা দেশে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। এর প্রভাব পড়েছে সড়কবাতিতেও। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের বাতি নিভে যাচ্ছে।

এতে সন্ধ্যার পর অনেক সড়ক অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে। এতে পথচারী ও যানবাহন চালকদের চলাচলে অসুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনা ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা যায়।

দেখা যায়, ব্যস্ত সড়ক, অলিগলি কিংবা গুরুত্বপূর্ণ মোড়; বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কবাতিও বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে পুরো সড়ক অন্ধকারে ডুবে থাকে।

নগরবাসীর অভিযোগ, সড়কবাতির মূল উদ্দেশ্য রাতে সড়কে পর্যাপ্ত আলো নিশ্চিত করা। কিন্তু কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যদি বিকল্প ব্যবস্থায় সড়কবাতি চালু রাখা না যায়, তাহলে জনসাধারণকে ঝুঁকি নিয়েই চালাচল করতে হয়। বিশেষ করে পথচারী, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও মোটরসাইকেল চালকদের জন্য অন্ধকার সড়ক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর কাঁটাবন এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে কাঁটাবনে এলিফ্যান্ট রোডের সড়ক বাতিও নিভে যায়। ওইসময় কথা হয় পথচারী আবু হাকিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর পুরো সড়ক অন্ধকার হয়ে যায়। গাড়ির আলো ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। হাঁটতে গেলে সামনে কে আসছে বা কোথায় গর্ত আছে, সেটিও বোঝা যায় না। অনেক সময় দেখা যায় অন্ধকারে একজনের মোবাইল টান মেরে নিয়ে গেছে।

মোটরসাইকেল চালক নোমান আলী বলেন, সড়কবাতি বন্ধ থাকলে অনেক জায়গায় রাস্তার অবস্থা ঠিকমতো দেখা যায় না। সামনে হঠাৎ পথচারী বা রিকশা চলে এলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

ঢাকায় অ্যাপের মাধ্যমে রাইড শেয়ার করেন মিতুল হাসান। তিনি বলেন, রাতে যখন বাইকে রাইড শেয়ার করি হুটহাট করে অনেক সড়কের লাইট বন্ধ হয়ে যায়। গাড়ির আলো দিয়ে চলাচল করতে হয়। ঢাকার সড়কে এমনিতেই অনেক জায়তায় গর্ত। কোথায় গর্ত থাকে বোঝা যায় না। কয়েকদিন আগেই গর্তে চাকা চলে গেলে বাইক নিয়ে পড়ে গেছি।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলেও সড়কের ল্যাম্প পোস্টগুলোর লাইট যেন চালু থাকে- সেই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর