মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ খানের নাম ও ছবি ব্যবহার করে টাকা দাবি করার ঘটনা ঘটেছে। হ্যাকাররা এ অপচেষ্টা চালাতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। এ ব্যাপারে মাউশির ডিজি সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।
শনিবার (১২ জুলাই) তিনি বিজনেস ডাইজেস্টকে এ তথ্য জানান। মাউশির ডিজি বলেন, আমার ছবি ও নাম ব্যবহার করে হ্যাকাররা টাকা কর্জ বা টাকা দাবি করছে বলে বিভিন্নজনের কাছ থেকে তথ্য পাচ্ছি। তারা স্ক্রিনশটও পাঠাচ্ছেন। আমার শুভাকাঙ্ক্ষী বা মাউশির অধীনে চাকরি করা কোনো সহকর্মী ভুলেও লেনদেন করবেন না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমি বা আমার পক্ষে কেউ ব্যক্তিগতভাবে কোনো আর্থিক লেনদেনে জড়িত নই। তাই কেউ যদি আমার নাম ব্যবহার করে যোগাযোগ করে তাহলে দয়া করে সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করুন।
একই সঙ্গে এ ধরনের ডিজিটাল প্রতারণা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান মাউশির মহাপরিচালক।
দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো মাউশির অধীনে। এসব প্রতিষ্ঠানে অন্তত ১০ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত। ফলে ডিজির পরিচয়ে প্রতারণা করে শিক্ষক-কর্মচারীদের ভয় দেখিয়ে বা কৌশলে টাকা হাতিয়ে নেওয়াটা সহজ। প্রতারকরা সেই পথই বেছে নিয়েছেন বলে মনে করছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ খান।