1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

বিমানবন্দর থেকে ইন্টারেক্টিভ কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা আল সামির আটক

বিডি নিউজ ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৭ বার পঠিত

অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম ইন্টারেক্টিভ কেয়ার এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রেয়ার আল সামিরকে আটক করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশত্যাগের সময় তাকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আদাবর থানার ওসি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার পর সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি এবং প্রতিশ্রুত মুনাফাও বিতরণ করা হয়নি। বিনিয়োগকারীরা দাবি করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আল সামিরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে; ফোনকল ও অন্য যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না।

কয়েকজন বিনিয়োগকারীর জানিয়েছেন, বকেয়া অর্থের পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি।

এ বিষয়ে বিনিয়োগকারী সাদমান বলেন, সামির অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন, কিন্তু এখন কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। কোনো টাকা ফেরত বা মুনাফা পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় আমি মানি লন্ডারিংয়ের সন্দেহও করছি।

আদাবর থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, প্রতারণার অভিযোগে আল-সামির নামে একজনকে বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের সদস্যরা তাকে আটকের পর আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাকে আগামীকাল (২৯ এপ্রিল) আদালতে তোলা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে রেয়ার আল সামির ইন্টারঅ্যাকটিভ কেয়ার্স প্রতিষ্ঠা করেন। কোভিড-১৯ মহামারির সময় অনলাইনভিত্তিক শিক্ষার চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্ল্যাটফর্মটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ভাষা শিক্ষা প্রভৃতি বিষয়ে ক্যারিয়ারভিত্তিক কোর্স প্রদান করে থাকে।

পরবর্তীতে স্টার্টআপটি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে এবং ২০২৩ সালে অ্যাকসেলারেটিং এশিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে ১ লাখ ডলার বিনিয়োগ পায়। সে সময় এটিই ছিল একমাত্র বাংলাদেশি স্টার্টআপ, যা ওই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হয়।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর