1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

বিএনপিতে নেতৃত্বের পরিবর্তন : আশা ও হতাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪
  • ২৪১ বার পঠিত

অধ্যাপক শাহ আলম : বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায়ই তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপরে বিএনপির দায়িত্ব নেন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে অন্যতম সাহসী ও আপোষহীন নেত্রী হিসেবে খ্যাত বেগম খালেদা জিয়া যিনি প্রথমবারের মত ১৯৯১ সালের ২০শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য, বলিষ্ঠ ও সাহসী নেতৃতে বিএনপি তিন তিনবার ক্ষমতার মসনদে আসিন হন। তৎকালীন আওয়ামীলীগের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে লগী বৈঠার আন্দোলনে প্রায় চারজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার সরকার ২০০৬ সালের অক্টোবরের শেষের দিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। ফখরুদ্দীন-মইন এর তত্তাবধায়ক সরকার গঠনের পর থেকেই বিএনপির উপর নেমে আসে এক ঘোর অমানিশার অন্ধকার নির্যাতনের মাত্রা এতই বেশি ছিল যে, বেগম খালেদা জিয়াকে কারান্তরিন ও বর্তমান বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর নেমে আসে চরম নির্যাতন করা হয় যাতে তাকে কোমর ভাঙ্গা অবস্থায় দেশ ছাড়তে হয়। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এবং এখন পর্যন্ত তিনি কারান্তরিন রয়েছেন। তরুণ প্রজন্মের অহংকার বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানও রয়েছেন বিদেশে এই অবস্থাই দলটি চলছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিরবচ্ছিন্ন নির্যাতন পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের গুম খুন হামলা মামলার পরও এখন পর্যন্ত দলের মধ্যে কোন ভাঙ্গন ধরাতে পারেনি। কেন্দ্রীয় নেত্রিত্তের অনেক বেরথতার পরেও বহু মামলা হামলার পর এখন পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ের নেতারা অনেক শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ।
আজকে আমার এই লেখার মুল উদ্দেশ্য হল গত ৭ই জানুয়ারি একটি ডামি নির্বাচনে বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃতের ব্যর্থতা হতাশ করেছে পুরো দেশবাসীকে যার ফলশ্রুতিতে দলে পুনর্গঠন ও নতুন নেতৃতের তীব্র প্রয়োজন অনুভব করেন লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান ও বিএনপি সিনিওর নেত্রীবৃন্দ। এবারে দলে প্রথম পরিবর্তন পরিবর্ধন হলেও আরও কয়েকদফা দলে শুদ্ধি অভিজান চলবে বলে মনে করা হচ্ছে এতে কেউ কেউ উজ্জীবিত হলেও আবার কেউ পদ হারানোর আশঙ্কায় আছেনঃ-
কমিটি বিলুপ্তঃ- তারই আলোকে বিএনপি নতুন উদ্যমে আন্দোলন শুরু করতে এবং দলকে শক্তিশালী করতে পুনর্গঠন শুরু করেছে। গত জানুয়ারি ৭-এর নির্বাচনের সফলতা ও ব্যর্থতা বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। একই সাথে চট্টগ্রাম ও বরিশাল সিটি ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটিগুলোও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু ও আব্দুল মনায়েম মুন্নার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, জানুয়ারি ৭ নির্বাচনের আন্দোলনে যারা ব্যর্থ হয়েছে, তাদের সরিয়ে “পরীক্ষিত ও তরুণ” নেতাদের নিয়ে আসতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের ব্যর্থতায় দল যেমন আজ কঠিন সময় পার করছে সাথে সাথে পুরো দেশবাসীকেও চরম মূল্য দিতে হচ্ছে।

২৬০ সদস্য বিশিষ্ট ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাঃ- নির্বাচনের আগে এবং পর দলের শীর্ষ নেতারা আন্দোলনে অযোগ্যতা গা-বাচিয়ে চলা, আন্তঃ-গ্রুপিং লবিং এবং এর ফলাফল এবং নেতাদের ভূমিকা মূল্যায়ন করে এবং এই মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দলকে পুনর্গঠন এবং অপেক্ষাকৃত তরুন নেতৃত্ব সৃষ্টির লক্ষে দলের মধ্যে আমুল পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারই আলোকে রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাছির উদ্দিন নাছির কে সাধারন সম্পাদক করে ২৬০ সদস্য বিশিষ্ট ছাত্র দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির ইতোমধ্যে একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসাবে তরুন ছাত্র সমাজের কাছে তার গ্রহন যোগ্যতা তুলে ধরতে পেরেছে বলে আমি মনে করছি।

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের পর দলের পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করবার জন্য নিয়মিত জুম মিটিঙের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এ জন্য তিনি ঢাকা সিটি ইউনিটের নেতাদের সাথে বৈঠকও করেছেন।তিনি মনে করেন আন্দোলনকে আরও তীব্র থেকে তীব্রতর করতে হলে মহানগর কমিটিতে যোগ্য নেতৃত্ব আনতে হবে। এ জন্য যুব দল কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিন, চত্ত্রগ্রাম মহানগর ও বরিশাল মহানগরী কমিটিও বাতিল করা হয়েছে।

একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন- ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বৈঠকে বলেছেন যে নতুন কমিটি গঠন করা হবে এবং এইজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।

বিএনপিতে নতুন পদায়নঃ- নতুন যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে ত্যাগী ও পরিশ্রমীদের পদায়ন সত্যিই উৎসাহ যুগিয়েছে দলের নেতা কর্মীদের মাঝে – ঢাকা বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদকে যুগ্ম মহাসচিব, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে যুগ্ম মহাসচিব, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীকে যুগ্ম মহাসচিব পদে মনোনীত করা হয়েছে। ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক বিএনপির প্রচার সম্পাদক জনাব এনি চৌধুরীর জুগ্ম মহাসচিব হওয়া দলের তরুণ নেতৃতের মধ্যে একটি আশা জাগা নিয়ে খবর হিসেবে দেখা দিয়েছে। তাছাড়া যুব দলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকুর বিএনপির প্রচার সম্পাদক হিসেবে পদায়ন দলের ফ্রেশ ব্লাডের মূল্যায়ন বলে অনেকের মধ্যে আশার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া চিটাগাং বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল, এছাড়া আরও কিছু দিন আগে সাবেক ছাত্র নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র রফিকুল ইসলাম বকুল কে বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক করে তরুন নেতৃত্বকে আরও উজ্জীবিত ও শাণিত করেছে।

নতুন কমিটি নিয়ে আলাপ চারিতায় এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য যিনি সাহসী কথা বলার জন্য যিনি বিখ্যাত বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন- নতুন যাদের দলে ইনক্লুড করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তাগিদেই হয়েছে। কেননা কেউ মারা গিয়েছে, কেউ পদত্যাগ করেছেন কেউবা নেতৃত্বের দুর্বল বা ইনেক্তিভ আছেন সেই হিসেবে দলে ৬০/৭০ টি খালি পদ রয়েছে। এই শুন্য পদ পূরণে গণতান্ত্রিক ভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও অধিকার রয়েছে এতে ভুল বুঝা বা ভুল ব্যাখ্যা করার কোন অবকাশ নেই। তাছাড়া আরপিওতে ৩০% মহিলা কোঁটা পূরণের কথাও বলা আছে তাও আস্তে আস্তে পুরন করা হবে। নতুন কমিটিতে নিবেদিতপ্রাণ ও যোগ্য নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দলের প্রধান তিনি পুরো দল নিয়েই গবেষণা আলোচনা পর্যালোচনা করেই কমিটিতে যোগ্যদের নিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা সবাইকে এক করে সৃষ্টি করেননি তাই মানুষ হিসেবে সামান্য ভুল ত্রুটি হওয়া স্বাভাবিক। কাউঞ্চিল সম্পর্কে তিনি বলেন- নতুন কাউঞ্চিল সময় মতেই হবে এখন শুধু যোগ্যদের দিয়ে খালিস্থান পুরন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন- যেসব কমিটির মেয়াদ শেষ হয়নি সেখানে নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তবে যারা আন্দোলনের সময় তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে তাদের বাদ দেওয়া হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এমন ব্যর্থ নেতাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছেন।

তারেক রহমানের কাছে প্রত্যাশাঃ-সরকারের অব্যাহত চাপ, গ্রেফতার, এবং শীর্ষ ও মধ্যম পর্যায়ের বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা দায়েরের মাধ্যমে বিরোধী দলকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে মাঠ পর্যায়ে ও সচেতন মানুসের যেসব দাবী তাহলোঃ-১,মাঠের অবস্থা পর্যালোচনা করে যোগ্যদের পদায়ন করা। ২, মাঠ পর্যায়ে দলের ত্যাগী ও মামলা হামলার স্বীকার কর্মীদের যোগ্যতা অনুযায়ী পদায়ন করা।৩, দলের মধ্যে অযোগ্য ও ভুয়া নেতাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার করা। ৪, ভাই কালচার থেকে দলকে মুক্ত করা। ৫, দলকে নতুন ভাবে পুনরজ্জিবিত করার পরিবর্তন আনা। ৬, দলের মধ্যে সর্বত্র মানবিকতা ও গনতত্রের চর্চার পরিবেশ তৈরি করা।
বিএনপিকে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য আমার কিছু পরামর্শঃ-
১. সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস:
দলের বিভিন্ন পর্যায়ে যে পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে, তা দলের ভেতরে নতুন উদ্যম সৃষ্টি করতে পারে। তবে এই পরিবর্তনগুলি যাতে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া না সৃষ্টি করে সেদিকে নজর দেয়া প্রয়োজন।
২.যুব ও ছাত্রদের অংশগ্রহণ:
রাকিব-নাছির এর নেতৃত্বে ছাত্র দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, যা তরুণদের রাজনীতিতে আরও বেশি সক্রিয় করার একটি প্রচেষ্টা। এটি দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে সহায়ক হবে। তবে কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ।
৩. সক্ষম নেতৃত্ব তৈরিতে:-
দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দ্রুততা ও দক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে।এ জন্য সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণই ফোরাম স্থায়ী কমিটিকে পুনর্গঠন করা।

৪. জনসম্পৃক্ততা:
দলের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে এবং নতুন সমর্থক তৈরি করতে জনসংযোগ বাড়ানো জরুরি। বিভিন্ন সামাজিক ও জাতীয় ইস্যুতে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং তাদের সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

৫. প্রযুক্তির ব্যবহার:
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা, প্রচারণা এবং জনসংযোগ বাড়ানো যেতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে দলের সাফল্য এবং উদ্যোগগুলি জনগণের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ।

৬. অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব মীমাংসা:
দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব,গ্রুপিং ও মতবিরোধকে মীমাংসা করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে। নেতাকর্মীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার মনোভাব বাড়াতে হবে।মাঠ পর্যায়ে গ্রুপিং না থাকলেও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রুপিং নির্মূল করতে হবে।

উপসংহার
বিএনপি কে মনে রাখতে হবে তারা একটি জনপ্রিয় ও জনমানুষের দল তাই সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে তাদের সামনের পদক্ষেপগুলো নিতে হবে। তাদেরকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শকে ধারন করে তারুণের অহংকার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তকে ধারন ও মান্য করে চলতে হবে তবেই তারা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হবে। এই পরিবর্তনে নানা মনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও দিন শেষে দলে আরও ভালো নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে মনে করছি। সবশেষে, বর্তমান এই কঠিন সময়কে অতিক্রম করতে দলটির অভ্যন্তরীণ শক্তি ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে সামনের দিন গুলিতে এগিয়ে যেতে হবে এবং খুঁজে খুঁজে মেধাবী ও ত্যাগীদের দলে মূল্যায়ন করতে হবে তাহলেই এই দলটি আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়বার নেতৃত্ব দিতে পারবে এবং জনগনের প্রত্যাশা পুরন করতে পারবে বলে আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করছি।
মোঃ শাহ্‌ আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পিএইচডি গবেষক আইআইইউএম মালয়েশিয়া।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর