1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

বাংলাদেশের পাটপণ্য রপ্তানিতে ভারতের নতুন বিধিনিষেধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৮ বার পঠিত

নতুন করে সীমান্তবর্তী সব স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আরও কিছু পাটজাত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। সোমবার ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

নতুন করে নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় যোগ হয়েছে ব্লিচ ও আনব্লিচ বোনা পাট বা অন্যান্য উদ্ভিদজাত আঁশের কাপড়, পাটের সুতা, দড়ি ও রশি এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ। তবে ডিজিএফটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব পণ্য মহারাষ্ট্রের নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সীমান্তবর্তী কোনো স্থলবন্দর দিয়ে এসব পণ্যের আমদানি অনুমোদিত হবে না। বাংলাদেশ থেকে ভারতের কিছু পণ্যের আমদানি অবিলম্বে নিয়ন্ত্রিত করা হলো।

এর আগে চলতি বছরের ২৭ জুন ভারত বাংলাদেশ থেকে কিছু পাটজাত পণ্য ও বোনা কাপড়ের আমদানি সব স্থলপথে নিষিদ্ধ করেছিল। তখনও বলা হয়েছিল, এসব পণ্য কেবল নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়েই আনা যাবে।

প্রথম ধাপের নিষেধাজ্ঞায় ছিল পাটজাত পণ্য, ফ্ল্যাক্স টো ও বর্জ্য, পাট ও অন্যান্য আঁশজাত ফাইবার, একগুণ বা একাধিক গুণে মোড়ানো পাটের সুতা, বোনা কাপড় বা ফ্ল্যাক্স ও আনব্লিচ বোনা পাটের কাপড়।

এছাড়া চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসেও ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানিতে একই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। ১৭ মে ভারত বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের আমদানিতে বন্দর-সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। এর আগে ৯ এপ্রিল ভারত বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রানশিপমেন্ট সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করত। তবে বাংলাদেশের এই সুবিধা শুধু নেপাল ও ভুটানের জন্য বহাল থাকে।

এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনুসের চীনে করা কিছু মন্তব্যের পর, যা নয়াদিল্লির কাছে নেতিবাচক মনে হয়। ভারতীয় রাজনৈতিক নেতারাও এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।

পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ ভারতের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দাঁড়িয়েছিল ১২৯০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ভারতের রপ্তানি ছিল ১১৪৬ কোটি ডলার ও আমদানি ছিল ২ কোটি ডলার।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর