যুগ যুগ ধরে সৌন্দর্যবর্ধনের অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ হিসেবে গয়নার ব্যবহার হয়ে আসছে। সোনার গয়না নারীদের কাছে সম্পদও বটে। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে সোনার গয়নার মৌলিক রূপ ভিন্ন ভিন্ন হলেও বর্তমানে সব যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ফ্যাশনপ্রেমীরা বিভিন্ন স্টাইলকে গ্রহণ করছেন গয়নার ক্ষেত্রে।
তবে দাম বেশি বলে এখন নারীরা ছোট হালকা সোনার গয়নার দিকে ঝুঁকেছেন। ছোট সোনার গয়না বলতে সাধারণত বোঝায় কম ওজনের সোনার গয়নাকে। এই ধরনের গয়নাগুলো ওজন কম হওয়ায় দামে কম হয়ে থাকে এবং পরতেও আরামদায়ক হয়।
ট্রেন্ডিংয়ে হালকা ডিজাইন:
সোনার গয়নার হালকা ডিজাইন ট্রেন্ডিং, যা প্রতিদিনের জন্য উপযুক্ত। ছোট কানের দুল, হালকা চেইন, বা ছোট লকেট এগুলো সহজেই বিভিন্ন পোশাকের সঙ্গে মানানসই। এছাড়া সোনার গয়নার সঙ্গে সাজ ও পোশাক হয় জমকালো। বর্তমানে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মিশেলে তৈরি হয়েছে সোনার গয়নাগুলো। এগুলোর অনবদ্য নকশা যে কারও মন কাড়বে।
কেন পরছেন:
বৈশ্বিক অর্থনীতির নানা চড়াই-উৎরাইয়ের কারণে গত কয়েক বছর ধরেই বিশ্ববাজারে সোনার দাম পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে। তাই এখন সোনার দাম আকাশছোঁয়া। সোনার অলংকার এখন সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তাই শুধু শৌখিন ক্রেতারাই সোনার গয়না কিনে থাকেন।
ছোট কানের দুল আর লকেট কেনে কেউ, অনেকে আবার পুরোনো সোনার গয়না ভেঙে নতুন নকশার গয়না বানান। যাদের ভারী গয়না আছে, তারাও নিরাপত্তার কারণে বাড়ির বাইরে সোনার গয়না পরেন না। তাই হালকা গয়না পরে থাকেন।
সোনার ভরি এখন অনেক টাকা:
বিশ্ব বাজারে সোনার দাম অনেক। পুরোনো সোনা কিংবা অলংকারের সম্পদমূল্য বেড়েছে। ফলে যাদের সিন্দুকে বা লকারে পুরোনো অলংকার রয়েছে, তারা দাম কতটুকু বাড়ল সেই হিসাব কষছেন। স্বাভাবিকভাবেই যার রেশ পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে। বিশেষ করে চলতি বছর সোনার দাম একের পর এক রেকর্ড করে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম দেড় লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আজকে ৬ আগস্ট ২১ ক্যারেটের ১ ভরি বা ১৬ আনা সোনার দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৮ টাকা।
বিশ্বে সোনাকেই এখন সবচেয়ে স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য পণ্য হিসেবে ধরা হয়। একমাত্র সোনার দামেই সাধারণত বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা দেখা যায় না। সোনার গয়না কিনে রাখলে লোকসানের ভয় নেই। এ কারণেই সোনার প্রতি সবার এত আকর্ষণ।