1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

পাম অয়েলে রান্না খাবার খেলে শরীরে যা ঘটে

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নাদিয়া সুলতানা মুন |
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২১ বার পঠিত

সুস্থ জীবনযাপনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া। আর স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার অনেকটাই নির্ভর করে খাবারে ব্যবহৃত তেলের ওপর। প্রতিদিনের খাবারে ব্যবহৃত তেল আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। খাবার তৈরির দুনিয়ায় পাম তেল বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশে রাস্তার ধারে হোটেলে থেকে শুরু করে বড় বড় রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারিতে পাম অয়েল দিয়ে মুখরোচক খাবার তৈরি হয়।

কিন্তু পাম অয়েলের কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে যা আমাদের শরীরের জন্য ভালো না। রিফাইন্ড পাম অয়েল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হাইড্রোজেনেটেড অবস্থায় বাজারজাত করা হয়, যাতে ট্রান্স ফ্যাট তৈরি হয়। এই ট্রান্স ফ্যাট হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্থূলতার অন্যতম কারণ হতে পারে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক পাম অয়েল আমাদের শরীরে কী কী ক্ষতি করতে পারে-

১. স্যাচুরেটেড ফ্যাট:

পাম অয়েলে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি। অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে, যা আমাদের হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তে খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি করে। ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

২. একই তেল বারবার ব্যবহার:

আমাদের দেশে একই তেলে অনেক বার খাবার ভাজা হয়। পাম অয়েল বারবার গরম করলে ভিন্ন রকমের যৌগ তৈরি হয়। তাতে টক্সিন তৈরি হয়। এই তেল খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি করে এবং হজমজনিত সমস্যা বাড়াতে পারে।

৩. ফ্যাটি লিভার:

পাম তেলের অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণের ফলে লিভার এবং ভিসারাল ফ্যাট জমাতে সাহায্য করতে পারে। যার ফলে ২ টাইপের ডায়াবেটিসের হতে পারে। সেই সঙ্গে লিভারে অতিরিক্ত ফ্যাট জমা হতে থাকে, যা থেকে ফ্যাটি লিভার, লিভাল ফাইব্রোসিস, এমনকি সিরোসিসের মতো সমস্যাও হতে পারে।

৪. অতিরিক্ত ক্যালরি:

পাম অয়েলে যে কোনো রান্না সুস্বাদু হয়। এতে খাবার বেশি খাওয়া হয়। আর খাবার বেশি খেলে শরীরের ক্যালোরির পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে ওজন বৃদ্ধির পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কেন মানুষ পাম অয়েল ব্যবহার করে:

এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ভাজা জিনিস খাওয়ার প্রবণতা বেশি। পাম তেলে ভাজাভুজির স্বাদও হয় মুখরোচক। বিশেষ করে বেকড খাবারের। পাম অয়েলে খাবার রান্না করলে রান্নার স্বাদ বদলে যায় না। পাশাপাশি খাবার সুস্বাদু হয়। তাই পাম অয়েল দিয়ে রান্না করতে সবাই পছন্দ করে। এছাড়া বাজারে যে কোনো ভোজ্য তেলের চেয়ে পাম অয়েলের দাম সবচেয়ে কম। এ জন্য রেস্টুরেন্টসহ বাড়িতেও অনেক মানুষ রান্নায় পাম অয়েল ব্যবহার করেন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর