২০২৪ সালের এই ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে সীমিতভাবে স্থান পেয়েছে। আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এটি আরও বিস্তৃত পরিসরে এবং পূর্ণাঙ্গ অধ্যায় আকারে পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে। একইসঙ্গে ধারাবাহিকতা রক্ষায় যুক্ত হচ্ছে ১৯৭১-পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসও। ইতোমধ্যে পাঠ চূড়ান্ত হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকারের (শিক্ষা মন্ত্রণালয়) পক্ষ থেকেও চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি বইয়ে শিক্ষার্থীদের বয়স ও বোধগম্যতা অনুযায়ী বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এক্ষেত্রে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে এক থেকে তিন নম্বর পৃষ্ঠায় থাকতে পারে জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য। আর নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বইয়ে বিষয়টি আরও গভীরভাবে থাকবে। এখানে পূর্ণাঙ্গ একটি অধ্যায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যা থেকে আন্দোলনের পটভূমি, বিভিন্ন স্তরের অংশগ্রহণ, সহিংসতার দিনগুলো, নিহতদের স্মৃতি এবং রাজনৈতিক পরিণতি নিয়েও শিক্ষার্থীরা বিস্তৃত ধারণা পাবে।
শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানই ইতিহাসের অংশ হিসেবে নয়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের নির্দিষ্ট অধ্যায়ে স্বাধীনতা-উত্তর সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের চিত্রও তুলে ধরা হবে। এতে থাকবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ