1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

নোয়াখালীতে জলাবদ্ধতায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ

জেলা প্রতিনিধি | নোয়াখালী |
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পঠিত

নোয়াখালীতে গত দুই দিনের ভারী বর্ষণে আবারও ডুবে গেছে জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো। সড়ক থেকে শুরু করে বাড়িঘর, হাট-বাজার পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও কোমরসমান পানি জমে রয়েছে দিনের পর দিন। তবে জলাবদ্ধতার পেছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অবৈধ ভেসাল জালের দৌরাত্ম্য, যা আজ ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের জন্য।

জানা গেছে, নোয়াখালীর ৯ উপজেলার মধ্যে জেলা শহর মাইজদী, চৌমুহনী, সোনাপুর, বেগমগঞ্জ, চাটখিল, সোনাইমুড়ী, সুবর্ণচর, কবিরহাটসহ বহু এলাকায় খাল-বিল, নালা ও ড্রেনের মুখে অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে ভেসাল জাল। ফলে বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশনের পথ পাচ্ছে না। একদিকে ভারী বর্ষণ, অন্যদিকে এই জালগুলোর কারণে পানি আটকে থেকে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।

জেলা শহরের বাসিন্দা মোতাহার হোসেন বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, টানা বর্ষণ ফলে পানিতে ডুবে আছে কাঁচা ও আধাপাকা সড়ক। রিকশা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহন চলাচল একপ্রকার বন্ধ হয়ে গেছে। হেঁটে চলা পথচারীদেরও পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। বৃষ্টির পানি জমে অনেক দোকানপাটে পানি উঠে গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পণ্যসামগ্রী।

সুবর্ণচর উপজেলার চর বৈশাখী এলাকার বাসিন্দা মো. আরিফ সবুজ বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, গত বছর নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। তখন ভেসাল জালের দৌরাত্ম বেড়ে গেছে। এরা কাউকে তোয়াক্কা করে না। খালের মুখে অবৈধভাবে ভেসাল জাল বসিয়ে রাখা হয়েছে। পানি নামতে পারে না। প্রশাসন শুধু দেখে কিন্তু ব্যবস্থা নেয় না। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত।

একই কথা বলেন বেগমগঞ্জের ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন। তিনি বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, আমার দোকানে পানি উঠেছে। এতে প্রায় লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে। অথচ আমাদের খাল গুলো অনেক বড় বড় খাল। পানি উঠলে সহজেই নেমে যাওয়ার কথা কিন্তু খালের মুখে জাল বসিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আর আমাদের ভোগান্তিও বেড়ে যাচ্ছে।

নুর হোসেন মনু নামের জেলা শহরের বাসিন্দা বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন,খাল-বিল হচ্ছে পানি নামার স্বাভাবিক পথ। সেগুলো বন্ধ করে দিলে জলাবদ্ধতা হবে—এটা তো জানা কথা। অবিলম্বে ভেসাল জাল অপসারণ এবং খাল সংস্কার না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিউদ্দিন বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, খাল-ড্রেনের মুখে পাটা, জাল বসিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ ধরনের কাজ গণ উপদ্রব হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে জানিয়ে তিনি সবাইকে সতর্ক ও সহযোগিতাশীল থাকার আহ্বান জানান।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর