1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চাইলেন ইরানের ৫ নারী ফুটবলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৪১ বার পঠিত

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান নারী এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর নিজ দেশে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানানিয়েছেন ইরানের জাতীয় নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্য। এরই মধ্যে তাদেরকে অস্ট্রেলিয়ায় পুলিশের সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল যে দলের কিছু খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চাইতে পারেন। কারণ গত সপ্তাহে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তাদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলা হয়েছিল।

সোমবার (৯ মার্চ) কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্টে দলের হোটেলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানেই ইরানবিরোধী শাসনব্যবস্থার প্রতিবাদকারীরা জড়ো হন, যখন খেলোয়াড়রা ইরানে ফেরার জন্য বিমানবন্দরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

সোমবার রাতে খবর প্রকাশিত হয় যে দলের পাঁচ খেলোয়াড় সরকারি তত্ত্বাবধায়কদের নজর এড়িয়ে বেরিয়ে গেছেন ও অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া-ইরানি সম্প্রদায়ের সূত্রের বরাত দিয়ে নাইন পত্রিকাগুলো জানায়, ওই নারীরা পুলিশের কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছেন

ব্রিসবেনভিত্তিক মানবাধিকারকর্মী হাদি কারিমি নাইনকে বলেন, পুলিশ তাদের নিরাপদ কোথাও নিয়ে গেছে। এটি দারুণ, সত্যিই অসাধারণ।

নিউজ ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, খেলোয়াড়দের খুঁজতে গিয়ে তত্ত্বাবধায়করা হোটেলের লবিতে ছুটোছুটি শুরু করলে রয়্যাল পাইনস হোটেলে ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি’ তৈরি হয়।

নিউজ ডটকম আরও জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খেলোয়াড়দের আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন প্রক্রিয়াকরণ শুরু করেছে। টুর্নামেন্টে রোববার (৮ মার্চ) রাতে রবিনায় ফিলিপাইনের কাছে ২-০ গোলে হারের ফলে তারা প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেওয়ার পর খেলোয়াড়দের সঙ্গে ‘গোপন আলোচনা’ হওয়ার পর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এছাড়া জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক সোমবার কুইন্সল্যান্ডে উড়ে যান খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলতে ও তিনি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেবেন।

এই বিষয়ে মন্তব্য জানতে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

নিউ সাউথ ওয়েলসের দাসপ্রথাবিরোধী কমিশনার জেমস ককেইন সোমবার (৯ মার্চ) রাতে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের প্রধান ক্রিসি ব্যারেটকে চিঠি লিখে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানান। তিনি এটিকে সম্ভাব্য ‘এক্সিট ট্রাফিকিং’ হিসেবে সন্দেহ করছেন।

চিঠিতে বলা হয়, ইরানের নারী ফুটবল দলকে জোর করে অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে বাধ্য করার চেষ্টা অস্ট্রেলিয়ার আইনের অধীনে অপরাধ হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ব্যারেটকে বিষয়টি তদন্ত করতে ও সন্দেহভাজনদের অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করা ঠেকাতে আহ্বান জানান।

রোববার স্টেডিয়াম থেকে দলীয় বাস বের হওয়ার সময় বিক্ষোভকারীরা অল্প সময়ের জন্য বাসটি আটকে দেন। তারা খেলোয়াড়দের উদ্দেশে আন্তর্জাতিক সাহায্যের সংকেত দেখান, যেখানে চার আঙুলের নিচে বুড়ো আঙুল রেখে মুঠি বন্ধ করা হয় এবং পরে তা আবার খোলা হয়। সে সময় মনে হয়, কিছু খেলোয়াড়ও একই সংকেত ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ইরানের নারী জাতীয় দলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ফিফার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই দলের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা ফুটবল অস্ট্রেলিয়াসহ সংশ্লিষ্ট অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখছি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর