1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

নারী কেলেংকারী ও ছাত্রলীগ পেটানো সেই এডিসি হারুনের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০২৪
  • ১৫১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন-অর-রশিদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৬ জুলাই তার বরখাস্তের আদেশটি প্রত্যাহার করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পেটানোয়‌ গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তাকে বরখাস্ত করা হয়। বর্তমানে তিনি রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন।

তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশিদকে (বর্তমানে সাময়িকভাবে বরখাস্ত এবং রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত) পুলিশ অধিদপ্তরের গত ২০ জুনের পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জননিরাপত্তা বিভাগের ১১ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনে সাময়িকভাবে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হলো।

সাময়িক বরখাস্তকাল কর্তব্যকাল হিসেবে গণ্য হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাবির ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিমকে শাহবাগ থানায় নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এডিসি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে। নারীঘটিত একটি ঘটনার জেরে এ ঘটনা ঘটে।

এরপর শাহবাগ থানায় নিয়ে তাদের নির্যাতনের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার জেরে রাতেই শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে মধ্যরাতে ঘটনা মীমাংসা করেন।

ওই সময় ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র জানিয়েছিল, এডিসি হারুন ৯ সেপ্টেম্বর রাতে এক নারীর সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেসময় ওই নারীর স্বামী (তিনিও একজন সরকারি কর্মকর্তা) কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান এবং তাদের দুজনকে একসঙ্গে পান।

সেখানে ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে এডিসি হারুনের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ ফোর্স নিয়ে এসে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে বেদম মারধর করেন তখনকার এডিসি হারুন অর রশিদ।

বিরোধী মতাদশর্শী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের দমন-পীড়নে বেধড়ক পেটানোর অসংখ্য রেকর্ড রয়েছে এডিসি হারুনের। নারী কেলেংকারীতে সরকারি চাকরি হারানোর স্পষ্ট বিধান থাকলেও চাকরি ফিরে পেতে বিরোধী দমনের পুরস্কার হিসেবে চাকরি ফিরে পেলো কিনা এ নিয়ে নানা গুঞ্জন উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর