1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

ঢাকা বোর্ডে প্রায় ৩ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৮ বার পঠিত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডে ২ হাজার ৯৪৬ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। অর্থাৎ, প্রথম প্রকাশিত ফলাফলের চেয়ে খাতা চ্যালেঞ্জে তারা ভালো ফল করেছেন।

রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। পরে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

এতে দেখা যায়, এবার ঢাকা বোর্ডে ৯২ হাজার ৮৬৩ জন শিক্ষার্থী মোট দুই লাখ ২৩ হাজার ৬৬৪টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। তার মধ্যে ২ হাজার ৯৪৬ জনের ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। ১০ জুলাই প্রথম প্রকাশিত ফলাফলে ফেল করেছিল, এমন ২৯৩ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

আবার ফেল থেকে সরাসরি জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। তারা তিনজনসহ নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২৮৬ জন। বাকিদের ফলাফলে গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। কেউ বি গ্রেড থেকে এ-মাইনাস, কেউ এ-মাইনাস থেকে এ গ্রেড পেয়েছেন।

অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, অনেক সময় একজন পরীক্ষার্থী ভালো নম্বর পেলেও তা হিসাব কষতে বা নির্ধারিত জায়গায় বসাতে ভুল হতে পারে। খাতা যারা দেখেন, তারাও তো মানুষ। তবে আমরা কেউই এ ধরনের ভুল ও ত্রুটিপূর্ণ ফলাফল প্রত্যাশা করি না। এজন্য যেসব শিক্ষক খাতা দেখায় ভুল বা অবহেলা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা বোর্ড সূত্র জানায়, পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় খাতা নতুন করে মূল্যায়ন করা হয় না। বরং নম্বর সঠিকভাবে যোগ হয়েছে কি না, কোনো প্রশ্নের নম্বর বাদ পড়েছে কি না এবং ওএমআর শিটে নম্বর সঠিকভাবে উঠেছে কি না- এসব যাচাই করে প্রয়োজনে সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর