1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

ডিমের দাম আরও বেড়েছে, আগের মতোই মাছ-মাংস-সবজি

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৬ বার পঠিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে সম্প্রতি ভারত থেকে এসেছে প্রায় আড়াই লাখ ডিম। এতে ডিমের বাজারে স্বস্তি আসেনি বরং সপ্তাহ ঘুরে ডজনে নিত্যপণ্যটির দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা। বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ, সবজি ও মাংস। আর প্রতিকেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, গরুর মাংস ও বিক্রি হচ্ছে ৭৬০ থেকে ৭৮০ টাকায়।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরের কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

মিরপুরের মুসলিম বাজারে ডিম দোকানের ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিপিস ডিম পাইকারিতে কিনতে হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ টাকায়। দোকানিদের দাবি সাম্প্রতিক বন্যায় খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে উৎপাদন কমছে। আবার বর্ষার এই সময় চাহিদা বেশি থাকে। সবমিলে এখন ডিমের দামটা একটু বেশি।

শরীয়তপুর এগ হাউজের কর্ণধার স্বপন ব্যাপারী বলেন, শুনলাম ডিম আমদানি হয়েছে। কিন্তু আমরা কোনো আমদানি করা ডিম দেখিনি। এক-দুই লাখ ডিম আমদানিতে বাজারে তেমন প্রভাব পড়ার কথা নয়।

তিনি বলেন, দেশি ডিম আকারে বড় হয়। অন্যদিকে আমদানি করা সাদা রংয়ের ডিম আকারে ছোট হয়। সাদা ডিমের চাহিদা কম। উৎপাদন বাড়লে দাম কমে যাবে।

চালের দাম কমেনি, মাংস ও সবজিতে কিছুটা স্বস্তি
নাগালের বাইরে ইলিশের দাম, অন্য মাছেও নেই স্বস্তি
বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, ভারতে একটা ডিমের উৎপাদন খরচ পাঁচ টাকা, অথচ বাংলাদেশে উৎপাদন খরচ ১০ টাকা ২৯ পয়সা। আমাদের এখানে দ্বিগুণ কেন এটা সরকারের আগে খতিয়ে দেখতে হবে। প্রাণিসম্পদ ও ফিড সিন্ডিকেট মাফিয়াচক্র বহাল রেখে ডিম আমদানি করায় সংকট আরও বাড়বে।

এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে মাংস ও সবজির বাজার। প্রতিকেজি ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, লেয়ার ৩০০ থেকে ৩১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। এছাড়া করলা ৫০ টাকা, কচু ৫০ টাকা, সিম ২০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, রসুন ২০০, পেঁয়াজ ১১০, আদা ২৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

প্রতি কেজি শুকনা মরিচ ৩৮০ টাকা, হলুদ ৩৪০ ও জিরা ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিকেজি আটাশ চাল ৫৭ টাকা, মিনিকেট ৭৪, নাজিরশাইল ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি বা তার কম বেশি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায়। এছাড়া প্রতিকেজি কাচকি মাছ ৬০০ টাকা, পাবদা ৩৫০, স্বরপুটি ২০০, পাঙাশ ২০০, সামুদ্রিক লইট্টা মাছ ২০০ টাকা, বড় রুই মাছ ৪০০-৪৫০, মেনি মাছ ২০০ টাকা, খইলশা মাছ ২০০, নলা মাছ ২২০ থেকে ২৪০ টাকা এবং চিংড়ি মাছ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর