1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

ঝিনুক থেকে তৈরি চুন খাওয়া কি নাজায়েজ?

ধর্ম ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৪৯ বার পঠিত

আমাদের দেশে পান খাওয়ার প্রচলন প্রচুর। গ্রাম বাংলার বহু মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে পান থাকবেই। বিয়েসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা অতিথি আপ্যায়নে খাওয়ার শেষে পান পরিবেশন করা ইত্যাদি আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে।

পান পাতা ক্ষতিকর নয়। বরং পানের উপকারী ভেষজ গুণ অনেক। চিকিৎসকদের মতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ক্ষত সারানো, মানসিক অবসাদ দূর করাসহ নানা ধরনের রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে পান। তাই শুধু পান খাওয়া হারাম বা অপছন্দনীয় নয়।

পানের সঙ্গে অনেকেই বিশেষ ধরনের চুন খেয়ে থাকেন। এসব চুন পাথর ও ঝিনুক থেকে তৈরি হয়। হানাফি মাজহাবে যেহেতু ঝিনুক খাওয়া নিষিদ্ধ, তাই অনেকে প্রশ্ন করেন, ঝিনুক থেকে তৈরি চুন খাওয়া নিষিদ্ধ কি না?

এ ব্যাপারে ইসলামি আইনবিশারদগণ বলেন, ঝিনুক থেকে তৈরি চুন খাওয়া নিষিদ্ধ নয়। কারণ ঝিনুক থেকে তৈরি হলেও চুন হওয়ার পর এর হাকিকত বা মৌলিকত্ব বাকি থাকে না। কোনো নিষিদ্ধ বস্তু যদি এমনভাবে রিফাইন করা হয় যে তার মৌলিকত্ব আর বাকি না থাকে, তাহলে সেটি হালাল হয়ে যায়। তাই পানের সঙ্গে পাথর বা ঝিনুক থেকে তৈরি যে কোনো ধরনের চুন অল্প পরিমাণ খাওয়া জায়েজ যদি তা শারীরে জন্য ক্ষতিকর না হয়।

পানের সঙ্গে জর্দা খাওয়া জায়েজ?
জর্দার মধ্যে যেহেতু মাদকতা আছে এবং এটা শরীরের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে বেশ ক্ষতিকর, তাই আলেমদের কেউ কেউ পানের সঙ্গে জর্দা খাওয়াকে নাজায়েজ বলেছেন।

কিন্তু অনেক আলেমের মতে জর্দা দিয়ে পান খাওয়া ক্ষতিকর হওয়ার কারণে অপছন্দনীয় হলেও হারাম নয়। তারা বলেন, তামাক পাতা বেশ পরিশোধন করে জর্দা তৈরি করা হয়। তাই এতে নেশার উপাদান বেশি থাকে না। এটাকে কোনোভাবেই মাদকদ্রব্য বলা যায় না। পরিমিত পরিমাণ জর্দা খেয়ে কেউ মাতালও হয় না। সুতরাং জর্দাকে মাদকদ্রব্য হিসেবে হারাম বলা যায় না।

জর্দায় স্বাস্থ্যের ক্ষতিও এতটা প্রকট বা অবশ্যম্ভাবী নয় যে কারণে কোনো খাবারকে সরাসরি হারাম বলা যায়।

জর্দা বা তামাক খাওয়া যেহেতু শারীরিক ক্ষতির কারণ তাই যথাসম্ভব এ থেকে বিরত থাকা উচিত, মানুষকে অনুৎসাহিত করা উচিত। কারো ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে ক্ষতিকর প্রমাণিত হলে বিশেষত তার জন্য তা খাওয়া অবৈধ হবে। কিন্তু সাধারণ অবস্থায় কেউ পানের সাথে পরিমিত পরিমাণ জর্দা খেলে তা হারাম হবে না।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর