1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

জ্বালানি সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবসায়ীদের আমদানির অনুমতি দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৫১ বার পঠিত

সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দ্রুত জ্বালানি তেল আমদানির অনুমতি দিয়ে সংকট নিরসনে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং মন্ত্রণালয়ের বাস্তবতা বিবর্জিত রেশনিং প্রক্রিয়া নতুন সরকারকে জনগণের কাছে তীব্র সমালোচনার মুখে ফেলে দিয়েছে। বিপিসি চেয়ারম্যান এবং তার সঙ্গে কিছু কর্মকর্তা জ্বালানি সচিবকে ভুল তথ্য দিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো প্রকার আলাপ-আলোচনা না করে বিগত ১০-১২ দিনে সারাদেশে জ্বালানি তেলের বিশাল ঘাটতি সৃষ্টি করে দিয়েছেন। এমনকি সরকারি ছুটির দিনে জ্বালানি তেল কোম্পানির কর্মীদের ওভারটাইম করিয়ে সারাদেশের ডিপোগুলো খোলা রেখে রেশনিং করে তেল দিয়েছেন এবং স্বাভাবিক দিনের থেকে অর্ধেকের কম জ্বালানি বরাদ্দ করে সরবরাহ করেছেন, যা প্রতারণামূলক কাজ।

‘আমাদের জানামতে সারাদেশে সব ডিপোতে তেল রাখার জায়গা নেই। ডিপোতে তেল নিয়ে আসা জাহাজগুলো সারি সারি জেটিতে দাঁড়িয়ে আছে। সরকার নির্দেশিত বিক্রয় নির্দেশনা মেনে তেল সরবরাহ করার পরও দুই থেকে তিন ঘণ্টা তেল বিক্রির পর প্রায় সব পাম্প শূন্য হয়ে পড়ছে,’ যোগ করেন তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত আছে বলে ঘোষণা দিলেও বাস্তবে ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হচ্ছে না। সাড়ে ১৩ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ট্যাংকলরি ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূর থেকে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ডিপোতে আসলে সেখান থেকে চার হাজার থেকে ছয় হাজার লিটার তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বা হয়। তাতে করে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর পরিবহন ব্যয় জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর সংযোজন করে বিক্রি করার সুযোগ নেই। কারণ সরকার নির্ধারিত অভিন্ন মূল্যে একমাত্র জ্বালানি তেল বিক্রি করা হয়।

সাজ্জাদুল করিম জানান, ডিপো থেকে বিগত ১০-১২ দিন ধরে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি সরবরাহ করায় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা আগামী এক মাসেও পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করা অত্যন্ত জরুরি। যদি সরকার মনে করে যে পর্যাপ্ত তেল আনতে পারছে না বা আমদানি করতে বেশি সময় প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে যে ব্যবসায়ীদের পক্ষে তেল আমদানি করে বিপিসিকে সরবরাহ করা সম্ভব, তাদের মাধ্যমে দ্রুত আমদানির অনুমতি দিয়ে আপাতত সংকট মোকাবিলা করা যেতে পারে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর