রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে দাঁড়িয়ে ঠান্ডা শরবত পান করছিলেন মিরপুরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসুদ আলম। সকালে চকবাজারের পাইকারি মার্কেট থেকে খেলনা সামগ্রী কেনার জন্য যান। ফেরার পথে লেগুনা থেকে নেমেই তাকে শরবত পান করতে দেখা যায়।
এ সময় মাসুদ আলমের সঙ্গে কথা হয় বিজনেস ডাইজেস্টের এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, আজ প্রচুর গরম পড়েছে। লেগুনা থেকে নামার পর দেখি তৃষ্ণায় গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। তাই ১০ টাকা দিয়ে ঠান্ডা শরবত খেয়ে তৃষ্ণা মেটালাম।
মাসুদ আলম জানান, শরবতটা খাওয়ার পর ভালো লাগছে। এখন বাসে উঠে মিরপুর চলে যাবো।
শুধু মাসুদ আলম নন, আজ রোববার (৩১ মে) সকালে যারা ঘর থেকে বের হয়েছেন তারা প্রখর রোদের তাপ বেশ ভালোভাবেই টের পাচ্ছেন।
সরকারি ছুটি শেষে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরছেন। সবার সঙ্গেই কমবেশি ব্যাগ রয়েছে। ঢাকায় বাস থেকে নেমেই গরমে অতিষ্ট হয়ে বাসায় ফেরার জন্য ছটফট করছেন অনেকেই।
লালবাগের বাসিন্দা আলতাব হোসেন সপরিবারে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন। ছুটি শেষে আজ সকালে বাসে সায়েদাবাদ এসে নামেন। বিজনেস ডাইজেস্টকে তিনি বলেন, বাস থেকে নামার পর গরমে ঘেমে অস্থির হয়ে যাই। দ্রুত সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাড়া করে বাসায় রওয়ানা হই। বাড়তি ভাড়া গুনতে হলেও আর দরদাম করিনি।
দুপুর ১২টার পর সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। যারা বের হয়েছেন তারা অনেকেই ছাতা মাথায় দিয়ে পথ চলছেন। অনেককেই আবার ক্লান্ত হয়ে গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে দেখা যায়।