1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

খুলনা কারাগারে হাজতি-কয়েদিদের মারামারি

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৫০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতকে কেন্দ্র করে খুলনা জেলা কারাগারে হাজতি ও কয়েদির মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় জেলখানার ‘পাগলা ঘণ্টা’ বাজানো হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় কারাগারের বাইরের পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনা মোতায়েন করা হয়।

খুলনা জেলা কারাগারের সুপার রফিকুল ইসলাম কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এখন কারাগারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কারা সূত্র জানায়, দুপুর আড়াইটার দিকে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতকে কেন্দ্র করে সাক্ষাৎ কক্ষে জনৈক হাজতি হোসেন মুন্সি কয়েদি সেলিমকে (রাইটার) মারধর করেন। এসময় হাজতি ও কয়েদিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সেলিম তার ওয়ার্ডে গিয়ে পরিচিত কয়েদিদের নিয়ে হোসেনকে খুঁজতে থাকেন। এনিয়ে কারাগারের ভেতরেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে জেলার আবু সায়েম বিষয়টি জানতে পেরে ভেতরে গিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে দেন।

পরে আবারও একই আসামিরা চিৎকার-চেঁচামেচি ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করতে থাকেন। এমনকি কর্তব্যরত কারারক্ষীদের কারাগার থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন তারা। এসময় কিছু অতিরিক্ত কারারক্ষী ভেতর প্রবেশ করলে আসামিরা তাদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন এবং তাদের বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় বিকেল ৪টার দিকে খুলনা জেলা কারাগরের মধ্যে অ্যালার্ম (পাগলা ঘণ্টা) বাজানো হয়। একই সময়ে তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের তাদের সেলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন কারারক্ষীরা।

স্থানীয় ও স্বজনরা জানান, কারাগারের ভেতরের পরিস্থিতি বাইরেও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি টহলরত সেনাবাহিনীকে জানায়। পরে সেনাবাহিনীর দুটি গাড়ি এসে অবস্থান নেয়। এতে আশপাশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সেনাবাহিনী আসার পর জেলার আবু সায়েম অতিরিক্ত কারারক্ষী নিয়ে কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করেন। তিনি আসামিদের নিজ নিজ সেলে প্রবেশ করান। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান জেল সুপার।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর