1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

কোরবানির আনন্দে ভুলে যাবেন না স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নাদিয়া সুলতানা মুন |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত

কোরবানির ঈদ কেবল ত্যাগের শিক্ষা নয়, এটি সংযম ও সচেতনতারও এক অনন্য বার্তা বহন করে। কোরবানির গরুর মাংস আল্লাহর পক্ষ থেকে এক নেয়ামত, তবে এই নেয়ামতের ব্যবহারেও ইসলামের মূল শিক্ষা হলো ভারসাম্য ও মিতব্যয়িতা। অতিরিক্ত ভোজন কিংবা অপচয়-দুটিই ইসলামের সৌন্দর্যের পরিপন্থী। তাই কোরবানির মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রয়োজন পরিমিতি, স্বাস্থ্যসচেতনতা ও মানবিক বোধ।

ইসলামে কোরবানির মাংস নিজে খাওয়া বৈধ, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বিতরণ করা সুন্নত এবং অসহায় মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়া উত্তম আমল। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও কোরবানির গোশত গ্রহণ করতেন এবং অন্যদের দিতেন। তবে ইসলাম কখনো অতিভোজনকে উৎসাহ দেয় না। বরং শরীরের সামর্থ্য ও স্বাস্থ্যগত অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে মাংস খাওয়ার নির্দেশনাই ইসলামের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলে।

গরুর মাংস আদৌ নিরাপদ কি না? এই প্রশ্নের উত্তরও ভারসাম্যের মধ্যেই নিহিত। সুস্থ ও সঠিকভাবে জবাইকৃত পশুর মাংস পুষ্টিকর খাদ্য। এতে রয়েছে প্রোটিন, আয়রন ও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা উপাদান। কিন্তু অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস অতিমাত্রায় গ্রহণ করলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, হৃদরোগী, কিডনি রোগী কিংবা যাদের হজমজনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য সতর্কতা জরুরি। তাই সবার জন্য একই মাত্রায় মাংস গ্রহণ উপযোগী নয়।

ঈদের খাবারে মেনে চলুন স্বাস্থ্যবিধি:
ঈদে যেমন হওয়া ‍উচিত ডায়াবেটিস রোগীর প্রস্তুতি
ইসলাম কখনো কোনো খাদ্যকে জাতিগত বা ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে বিচার করেনি। মুসলিম হোক কিংবা অমুসলিম, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস সবার জন্যই কল্যাণকর। কোরবানির মাংসও তেমনি; এটি নিরাপদ তখনই, যখন তা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংরক্ষণ ও গ্রহণ করা হয়।

অতএব, কোরবানির প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল মাংস ভক্ষণে নয়; বরং ভাগাভাগি, সংযম ও মানবিকতার চর্চায়। ঈদের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন আমাদের থালার স্বাদ ছাপিয়ে সমাজের প্রতিটি মানুষের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটে ওঠে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর