1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

কীভাবে যেন বারবার ইতিহাসের অংশ হয়ে যাই : ফুটবলার সানজিদা আক্তার

সাহেদ আহাম্মদ |
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৯ বার পঠিত

সানজিদা আক্তার; দেশের ফুটবলের পোস্টারগার্ল তকমা লেগে আছে তার নামের সাথে। অনূর্ধ্ব-১৪ থেকে শুরু করে জাতীয় দলে খেলেছেন লম্বা একটা সময়। এ মূহূর্তে জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও দেশে ও দেশের বাইরের ঘরোয়া ফুটবল এখনো দাপিয়ে বেড়ান এই নাম্বার সেভেন। বাংলাদেশের প্রথম সাফজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ছিলেন দ্বিতীয় সাফজয়ী দলেও।

উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ভারতের ইস্টবেঙ্গলের প্রথম বিদেশি নারী ফুটবলার হিসেবে খেলে ইতিহাস গড়েছেন। এবার তিনি আরেকটি ইতিহাস গড়লেন নেপালের ঘরোয়া লিগে প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে নাম লিখিয়ে। মঙ্গলবার শুরু হতে যাওয়া আনফা উইমেন্স লিগে ঝাপা ফুটবল ক্লাবে খেলবেন সর্বশেষ তিনি খেলেছেন দেশের ঘরোয়া ফুটবলে পুলিশ এফসিতে।

এক যুগ আগের সানজিদা আক্তারের একটি অর্জনের কথা মনে আছে সবার। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় হওয়া এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন সানজিদা আক্তার। ওই পারফরম্যান্স করে এশিয়ার সেরা ১০ নারী ফুটবলারের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিলেন সানজিদা। দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সানজিদা বারবারই ইতিহাসের অংশ হয়েছেন। নেপালের লিগ খেলতে গিয়ে মঙ্গলবার রাতে কাঠমান্ডু থেকে বিজনেস ডাইজেস্টকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সানজিদা আক্তার।

বিজনেস ডাইজেস্ট: প্রথম বাংলাদেশি নারী ফুটবলার হিসেবে নেপালের লিগে খেলতে যাওয়ায় আপনাকে অভিনন্দন।
সানজিদা আক্তার: আপনাকে ধন্যবাদ। দোয়া করবেন।

বিজনেস ডাইজেস্ট: নেপালের ঘরোয়া লিগে খেলতে গিয়ে আপনি তো আরেকটি ইতিহাস তৈরি করলেন। যেমনটি করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের প্রথম বিদেশি নারী ফুটবলার হিসেবে খেলে। বিষয়টি কেমন লাগে আপনার কাছে?
সানজিদা আক্তার: আসলে কীভাবে যেন আমি বারবার ইতিহাসের অংশ হয়ে যাই। এটা অবশ্যই ভালো লাগার।

বিজনেস ডাইজেস্ট: এমন ইতিহাস আর কি আছে আপনার?
সানজিদা আক্তার: দেখেন ২০২২ সালে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। আমি সেই দলের গর্বিত সদস্য ছিলাম। তার মানে দেশের ফুটবলের বড় একটি ইতিহাসের অংশ ছিলাম। এখন আমাদের দল এশিয়ান কাপে খেলেছে। তবে সাফের ওই অর্জন ছিল দেশের নারী ফুটবলের বাঁক ঘুরিয়ে দেওয়ার একটা অর্জন।

বিজনেস ডাইজেস্ট: দ্বিতীয়বার যখন সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ দুই বছর পর। সেই দলেও তো ছিলেন আপনি।
সানজিদা আক্তার: হ্যাঁ, ছিলাম। মানে পরপর দুইবার সাফ জিতে বাংলাদেশের গড়া ইতিহাসের পাতায়ও ছিলাম।

বিজনেস ডাইজেস্ট: আপনিতো একবার এশিয়ার সেরা ১০ ফুটবলারের তালিকায় ছিলেন, তাই না?
সানজিদা আক্তার: হ্যাঁ। ২০১৪ সালে। ঢাকায় হয়েছিল এএফসি নারী অনূর্ধ্ব-১৬ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব। এশিয়াজুড়ে হওয়া ওই বাছাইয়ে পারফরম্যান্স বিবেচনা করে এএফসি সেরা দশ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ করেছিল। আমি ছিলাম ৭ নম্বরে। সেটাও একটা ইতিহাস।

বিজনেস ডাইজেস্ট: ঘরোয়া নারী ফুটবলে প্রথম হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। আপনি ছিলেন।
সানজিদা আক্তার: হ্যাঁ। দেশের ঘরোয়া লিগে প্রথম হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস গড়া বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড় ছিলাম আমি। সেটাও তো ইতিহাসের অংশ।

বিজনেস ডাইজেস্ট: আপনি ইস্টবেঙ্গলে খেলেছেন। ক্লাবটি লিগে তেমন ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেনি। তবে আপনি একটি দর্শনীয় গোল করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ভারতের ফুটবলে রীতিমত হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। নেপালে কী লক্ষ্য?
সানজিদা আক্তার: আসলে আমি যখন যেখানেই খেলি নিজের সেরা দিয়ে চেষ্টা করি। নেপালে আমি যেহেতু প্রথম বাংলাদেশি নারী ফুটবলার। আমি অবশ্যই ভালো কিছু করার চেষ্টা করবো।

বিজনেস ডাইজেস্ট: আজকে গেলেন নেপালে। কালকেই (বুধবার) আপনাদের ম্যাচ। খেলতে পারবেন কি প্রথম ম্যাচ?
সানজিদা আক্তার: প্রথম ম্যাচ খেলা নিশ্চিত না। কারণ, কিছু আনুষ্ঠানিকতা আছে। তবে কাল না খেললেও দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে খেলবো।

বিজনেস ডাইজেস্ট: ক্লাবটির সাথে কতদিনের চুক্তি হয়েছে আপনার?
সানজিদা আক্তার: আমি এক মাসের চুক্তি করে এসেছি।

বিজনেস ডাইজেস্ট: অনেকটা হঠাৎই আপনার নেপালের লিগে যোগ দেওয়া। যোগাযোগ কি আগে থেকেই ছিল?
সানজিদা আক্তার: যোগাযোগ হয়েছিল। প্রথমে আমি খেলতে চাইনি। পরে রাজি হয়েছি। তাই হুট করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে চলে আসা।

বিজনেস ডাইজেস্ট: সর্বশেষ পুলিশ এফসির হয়ে ঘরোয়া লিগ খেলেছিলেন। নিজের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট?
সানজিদা আক্তার: চেষ্টা করেছি সেরাটা খেলার। ১০ ম্যাচ খেলে ৭টি গোল করেছি। লিগে আমাদের দল চার নম্বর হয়েছে।

বিজনেস ডাইজেস্ট: আপনি ভুটানের লিগেও খেলেছেন। ওই লিগে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে কী বলবেন?
সানজিদা আক্তার: থিম্পু সিটিতে খেলেছিলাম। তবে বেশি ম্যাচ খেলা হয়নি। দুই ম্যাচ খেলে দুটি গোল করেছিলাম।

বিজনেস ডাইজেস্ট: নেপালের এই ক্লাবে আর কোনো বিদেশি ফুটবলার আছে?
সানজিদা আক্তার: আসলে আমি কিছু সময় আগে এসেছি। ক্যাম্পে উঠে এ মূহূর্তে আমি ডিনার করছি আর আপনার সাথে কথা বলছি। খোঁজখবর সেভাবে নেওয়া হয়নি। তবে শুনেছি আমাদের ক্লাবে একজন ভুটানি ফুটবলার আছেন। পরিচয় হয়নি এখনো।

বিজনেস ডাইজেস্ট: সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
সানজিদা আক্তার: আপনাকেও ধন্যবাদ।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর