1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করুন : টিআইবি।

বিজনেস ডাইজেস্ট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪
  • ১৪৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

গতকাল (২৬ মে) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সেনাবাহিনী,র্যাব ও পুলিশের মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর সাবেক প্রধানসহ একজন আইন প্রণেতার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জনমনে সরকার, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও শাসনকাঠামো নিয়ে সংশয় ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। যার বিশ্বাসযোগ্য নিরসন জরুরি। যথাযথ প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রমাণ সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহিতার পাশাপাশি উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।’

তিনি আরও বলেন,সরকার ও ক্ষমতাসীন দল এসব ঘটনায় দায়সারাভাবে ব্যাখ্যা প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে, তা যেমন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না, তেমনি সরকারের জন্যও আত্মঘাতী হবে। এদেশের জনগণ এরইমধ্যে বুঝতে সক্ষম হয়েছে যে, ব্যাপক আলোচিত তিনটি ঘটনাই কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়, বরং উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের বহিঃপ্রকাশ,।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, একইভাবে এটি সহজেই বোঝা যায় যে এ ধরনের অপরাধের দায় শুধু প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাই এসব ঘটনায় পরোক্ষভাবে যোগসাজশকারী, লাভবান এবং বিশেষ করে সুরক্ষাকারী মহলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তা সম্ভব না হলে, সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নির্বাচনী অঙ্গীকার আরও এক দফা ফাঁকাবুলি হিসেবেই রয়ে যাবে এবং এ ধরনের দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন গভীরতর হবে। একইসঙ্গে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ আলোচিত কোনো কোনো বিষয়ে যে তৎপরতা দেখাচ্ছে, তা যেন লোকদেখানো আনুষ্ঠানিকতা না হয়।

টিআইবি জানায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন দলের প্রত্যয় নির্বাচনী ইশতেহারেই উল্লেখ ছিল। একইসঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ছিল এক ডজনেরও বেশি সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার। বর্তমান বাস্তবতায় ক্ষমতার অপব্যবহার, সার্বিকভাবে প্রতিষ্ঠান ও খাতভিত্তিক উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা অপরিহার্য। একইসঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ও পথরেখা নির্ধারণের আহ্বান জানায় টিআইবি।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর