নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমান বাস্তবিক প্রেক্ষাপটে ই-কমার্স বা ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে যারা বিজনেস করছেন, তাদের যে বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে; এ থেকে সহসাই উত্তরণের উপায় নেই যদি না সরকার, ট্রেড বডি, অংশীজন এবং বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে না আসে। যদিও বা বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর একই পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন; তবে ইন্ডাস্ট্রির বৃহত্তর স্বার্থে তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করা উচিত। আনুমানিক প্রায় ৩০০০০০ লক্ষ এর অধিক উদ্যোক্তা ই-কমার্স ব্যবসার সাথে জড়িত।
আনুমানিক প্রতিদিন ট্রানজেকশনার লস ১০০ কোটি টাকা, এরমধ্যে ৩৫% এফ কমার্স, ২৫% মার্কেটপ্লেস যেখানেও ছোট ছোট উদ্যোক্তা, ১৫% ফুড নিয়ে কাজ করেন যারা এবং বাকি ২৫% যারা ওয়েবসাইট ভিত্তিক অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে বিজনেস করেন বা সেবা প্রদান করেন বা লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদান করেন। এটা একটা সামগ্রিক চিত্র এর মধ্যে প্রায় আনুমানিক ২৮০০ মেম্বার ই-ক্যাবের, যার ৯৫%ই ছোট উদ্যোক্তা, ৪% মাঝারি এবং ১% মার্কেটপ্লেস বা বড় প্রতিষ্ঠানগুলো।
নিচের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা এখন খুবই জরুরী, ট্রেড বডির মেম্বার এবং বৃহত্তর ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে।
১. সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় ট্রেড বডি বা ই-ক্যাব সরকারের সাথে মেম্বারদের স্বার্থে এবং বৃহত্তরভাবে ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের স্বার্থে প্রনোদনার বিষয়ে একটা অবস্থান নিতে পারে।
২. আগামী দিনগুলোতে নিবন্ধিত মেম্বার প্রতিষ্ঠান বা সমস্ত ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সমস্ত ভ্যাট ট্যাক্সের আওতামুক্ত রাখার বিষয়ে কাজ করা। ফেসবুক অ্যাড এর জন্য প্রদত্ত 15% ভ্যাট সহ।
৩. ই-ক্যাবের মেম্বারদের কাছ থেকে সংগৃহীত ডেভেলপমেন্ট ফান্ড বা ওয়েলফেয়ার ফান্ড নামে ১০০০ + ১০০০ টাকা করে আনুমানিক প্রায় ২৭০০ মেম্বার হিসাব করে সর্বমোট ৫৪ লক্ষ টাকা থেকে অত্যাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা।
৪. ই-কমার্স এর বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যারা ই-ক্যাবের মেম্বারও তাদের কাছ থেকে একটা ফান্ড ক্রিয়েট করে ক্ষতিগ্রস্থ ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা।
৫. আন রেস্ট অবস্থায় যেহেতু বাংলাদেশের টোটাল ইন্টারনেট শাটডাউন ছিল এবং যে সমস্ত এড ফেসবুকে রানিং অবস্থায় ছিল এবং যাদের টার্গেট গ্রুপ ছিল অনলি বাংলাদেশ তাদের কোন ফেসবুক অ্যাড টার্গেট গ্রুপে কাজ করেনি। তাই ই-ক্যাব মেম্বারসহ ই-কমার্স এর যারাই এই সময়ে এডের টাকা বার্ন করেছেন, অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে ই-ক্যাব সরকারের সহযোগিতার মাধ্যমে ফেসবুকের সাথে নেগোসিয়েশন করে সমপরিমাণ টাকার ক্রেডিট লিমিটের এর ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য কাজ করে যাওয়া। বাংলাদেশে আনুমানিক প্রায় ২০০০০০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ টাকা এ্যাডে ব্যয় হয় একদিনে। বিগত আট দিনে আনুমান ১৬ লাখ ডলারের ফেসবুক অ্যাড এ ব্যয় হয়েছে যাতে করে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের কোন লাভই হয়নি।
এই মুহূর্তে এগুলি আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, আপনাদের অন্যান্য মতামত থাকতে পারে।
(সমস্ত তথ্যই আনুমানিক ১০০% সঠিক না হলেও সত্যের কাছাকাছি এবং বিশ্বাসযোগ্য, সংখ্যার পার্থক্য থাকলেও প্রবলেম গুলো কিন্তু একই থাকবে) Shohel Mridha
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রিন্স
Copyright © 2026 দৈনিক বিজনেস ডাইজেস্ট. All rights reserved.