1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

আজও জানা যায়নি মৃত্যুর কারণ, ১৯ বছরেই মারা যান শাহরুখের নায়িকা

বিনোদন ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত

বলিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে রহস্যঘেরা মৃত্যুর তালিকায় আজও শীর্ষে রয়েছেন অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু আজও ঘিরে রেখেছে অসংখ্য প্রশ্ন।

১৯৯২ সালে ‘দিওয়ানা’ ছবিতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন শাহরুখ খান ও দিব্যা ভারতী। ছবিটি ছিল শাহরুখের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের বড় সাফল্যগুলোর একটি। সেই ছবির নায়িকা হিসেবেই রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান দিব্যা। এরপর অনেক নায়কের সঙ্গেই করেছেন হিট সিনেমা। অনেকেই মনে করেন, তিনি ছিলেন বলিউডের পরবর্তী সুপারস্টার হওয়ার পথে।

কিন্তু সেই উজ্জ্বল যাত্রা থেমে যায় ১৯৯৩ সালের ৫ এপ্রিল। নিজের বাসার পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় এই তরুণ অভিনেত্রীর। হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি তাকে।

দিব্যার মৃত্যুর পর কেটে গেছে তিন দশকের বেশি সময়, কিন্তু আজও স্পষ্ট হয়নি এটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত খুন।

ঘটনার দিন উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামী সাংবাদিক ট্রয় রিবেইরো, যিনি পরে এ বিষয়ে একটি বইও লেখেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে দিব্যা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এবং ওই দিন মদ্যপান করেছিলেন। বাড়িতে অতিথিরাও ছিলেন। একসময় তিনি বারান্দায় একা দাঁড়িয়ে ছিলেন, এরপরই হঠাৎ পড়ে যাওয়ার শব্দ শোনা যায়।

ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অতিথিরাই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সেদিন বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন পোশাকশিল্পী নীতা লুল্লা। তবে তিনিও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি এটি আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা।

ট্রয়ের দাবি, সন্দেহের তালিকায় ছিলেন দিব্যার পরিচারিকা, যিনি মৃত্যুর আগে শেষবার তাকে দেখেছিলেন। তবে তাকে কখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

অন্যদিকে, স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন দিব্যার স্বামী সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা। তাকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে সামলাতে হয়েছিল। ঘটনাস্থলে এসে দিব্যার বাবা ভেঙে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘রা আমার মেয়েকে মেরে ফেলল!’

পরদিন ভোরে হাসপাতালে পৌঁছান দিব্যার মা। কিন্তু সেখানেও তৈরি হয় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দোষারোপ শুরু হয়। কেন সেই দোষারোপ সেই কারণও অজানা রয়ে গেল।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর