1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

আইআইইউসির অর্থ আত্মসাৎ : স্ত্রীসহ সাবেক এমপি নদভীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৬ বার পঠিত

চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইআইইউসি) প্রায় ১৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন নদভী, তার স্ত্রী রিজিয়া সুলতানাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের উপসহকারী পরিচালক কমল চক্রবর্তী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, আইআইইউসির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ, আইআইইউসি টাওয়ার সমন্বয়ক ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য অধ্যাপক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য যথাক্রমে অধ্যাপক সালেহ জহুর, ইঞ্জিনিয়ার রশিদ আহমেদ চৌধুরী, রিজিয়া রেজা চৌধুরী, অধ্যাপক ফসিউল আলম, অধ্যাপক আব্দুর রহিম, ড. শামসুজ্জামান, বদিউল আলম, সাবেক দুই রেজিস্ট্রার অধ্যাপক হুমায়ুন কবির ও শফিউর রহমান, টাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সদস্য অধ্যাপক ড. মাহি উদ্দিন, আফজল আহমেদ ও মোজাফফর হোসাইন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ পরিচালক সুবেল আহমেদ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত আসামিরা ট্রাস্টের ১২ কোটি ৭৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৬ টাকা অর্থ আত্মসাৎ করেন। এই অর্থ শিক্ষাবৃত্তি, দরিদ্র শিক্ষার্থী সহায়তা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের কথা থাকলেও তা ব্যয় করা হয় ব্যক্তিগত ভাতা, সম্মানী, উৎসব বোনাস ও বিদেশ ভ্রমণের খরচ হিসেবে। দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, নদভী নিজে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকার বেশি সম্মানী, জ্বালানি ও মোবাইল বিল নিতেন। তার স্ত্রী রিজিয়া সুলতানাও ট্রাস্টের অর্থ থেকে নিয়মবহির্ভূত ভাতা ও মেডিকেল খরচ বাবদ ৩০ লাখ টাকা পান।

ট্রাস্টের অন্যান্য সদস্যরাও বোনাস, ভাতা ও আনলিমিটেড জ্বালানি সুবিধা ভোগ করেছেন- যা ট্রাস্টের নীতিমালা ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনবিরোধী। টাওয়ারের আয়-ব্যয়ের অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল হিসাবের বাইরে আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা হতো। সেখান থেকে সৌদি আরবে পাঠানো হয় চার লাখ ডলার, যা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন লঙ্ঘনের শামিল। পর্যাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলাটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যদি অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর